BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত বাসন্তী, চলল গুলি, আশঙ্কাজনক ২ যুব তৃণমূল কর্মী

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 13, 2020 10:57 am|    Updated: August 13, 2020 11:04 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। বুধবার রাতে যুব তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ, শিমুলতলায় বাইক আটকে দুই যুব তৃণমূল কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর গুলি করা হয়। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের প্রথমে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে তাঁদের। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে খবর।

বাসন্তীতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। প্রায়শয়ই যুব সংগঠনের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষ লেগেই থাকে। তবে বুধবার রাতে তা বেশ চরম আকার নেয়। রাতে ক্যানিং থেকে শিমুলতলায় নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন ইজাজ আহমেদ এবং রশিদ আলি। এঁরা এলাকায় যুব তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ, আচমকাই একদল যুবক মাঝরাস্তায় তাঁদের ঘিরে ধরে হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি গুলিও চলে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হয় দু’জন। তাঁদের উদ্ধার করে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। ততক্ষণে পলাতক হামলাকারীরা। জখম ইজাজ এবং রশিদের শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

[আরও পড়ুন: রাতে জঙ্গলে করোনায় মৃতদেহ সৎকারের উদ্যোগ, জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে উত্তপ্ত জয়পুর]

এই সংঘর্ষ নিয়ে বাসন্তীর যুব তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এলাকা দখলের জন্য সিপিএম এবং আরএসপির মিলিয়ে হামলা এটা। যুব তৃণমূল কর্মীদের উপর এভাবেই বারবার আঘাত নেমে আসছে। সিপিএম নেতৃত্বের তরফে অবশ্য এ নিয়ে পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। রাতে এমন ঘটনার জেরে আজ সকালেও থমথমে বাসন্তীর শিমুলতলা এলাকা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী, গোসাবা-সহ একাধিক এলাকায় শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের সমস্যা। তৃণমূল সুপ্রিমো বারবার এ নিয়ে দলের জেলা নেতৃত্বকে সতর্ক করলেও, তা যে কিছুতেই থামছে না, শিমুলতলার ঘটনাই ফের প্রমাণ করে দিল।

[আরও পড়ুন: সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে দাসপুরের স্কুলে পড়াশোনা, শোকজের মুখে প্রধান শিক্ষক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement