Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Tarkeshwar

শিশুর ভিটামিন সিরাপে মাকড়সা! তারকেশ্বরের ঘটনায় তীব্র শোরগোল

ওই ভিটামিন সিরাপটি আপাতত বিক্রি বন্ধের নির্দেশ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৫৪

options
link
শিশুর ভিটামিন সিরাপে মাকড়সা! তারকেশ্বরের ঘটনায় তীব্র শোরগোল zoom
Advertisement

সুমন করাতি, হুগলি: ভিটামিন সিরাপে ভাসছে মাকড়সা জাতীয় পোকা। খুদেকে খাওয়াতে গিয়ে আঁতকে উঠলেন মা-সহ পরিবারের সদস্যরা। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে হুগলির তারকেশ্বরে তীব্র উত্তেজনা। আপাতত ওই ভিটামিন সিরাপটি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানান তারকেশ্বর (Tarkeshwar) ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক।

তারকেশ্বরের বাসিন্দা অশোক ও পায়েল বসাকের সন্তান ওই খুদে। মাসদুয়েকের সন্তানকে গত শুক্রবার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে খুদেকে নিয়ে যান তার বাবা-মা। চিকিৎসক ভিটামিন ডি থ্রি-র একটি সিরাপ খাওয়াতে বলেন। স্থানীয় ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনেন। খুদেকে খাওয়াবেন বলে ওষুধের শিশি হাতে নেন মা। তৎক্ষণাৎ তাঁর চোখে পড়ে সিল করা শিশির ভিতর মাকড়সার মতো কোনও পোকা ভাসছে। তবে খুদেকে খাওয়ানোর আগে পোকাটি নজরে আসার তাঁর শারীরিক কোনও সমস্যা হয়নি।

Advertisement

শিশুর বাবা, মা সংশ্লিষ্ট দোকানে গিয়ে বিষয়টি জানান। এরপর তাঁরা তারকেশ্বর (Tarkeshwar) ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ হানিফের দ্বারস্থ হন। তিনি বলেন, “ওই ভিটামিন ওষুধটি আপাতত বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে এই ওষুধটির নমুনা পাঠানো হবে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর পরবর্তীকালে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে।” পুরো বিষয়টি ডিস্ট্রিবিউটরকে জানানো হয়েছে বলেই দাবি দোকানের কর্ণধার চিরঞ্জিত দাসের।

উল্লেখ্য, হুগলি, বর্ধমান ও পরে কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা প্রান্তে সন্দেহভাজন ওষুধ ধরা পড়ার ঘটনায় আগেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র তথা রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। এখনও পর্যন্ত ৩০০টি ওষুধ ‘জাল’ ওষুধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, প্রেসারের ওষুধ (টেলমা এএম), ডায়াবেটিস, ইনহেলার, ইনজেকশন-সহ বহুল ব্যবহৃত সব ওষুধ। সন্দেহভাজন ওষুধ কিনে সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারিত না হন সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা ডিসিজিআই-এর তরফে কিউআর কোড পাঠানো হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যভবনকে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ওষুধ দোকানে এলে তার বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে ওষুধ বিক্রেতাকে। মিলিয়ে দেখতে হবে কিউআর কোড স্ক্যানে যে ৩০০টি নকল ওষুধ চিহ্নিত হয়েছে, তার সঙ্গে এই ওষুধগুলির কোনও মিল আছে কিনা। যদি মিল থাকে তবে তা নকল বলে ধরে নিতে হবে। গ্রাহকরাও যাতে সতর্ক হন তাই দোকানেও ঝুলিয়ে রাখতে হবে এই কোড। তারই মাঝে ওষুধে মাকড়সার মতো ছোট পোকা দেখতে পাওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন সকলে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.