৩০ চৈত্র  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত বাঁকুড়ার ছাতনা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: November 28, 2019 4:38 pm|    Updated: November 28, 2019 4:38 pm

An Images

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: ফের প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাঁকুড়া জেলা কার্যালয়। ছাতনা এক নম্বর মণ্ডল সভাপতি হিসেবে যাঁকে মনোনীত করা হয়েছে, তাঁকে অধিকাংশেরই পছন্দ নয়। আজ সকালে এ নিয়েই জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিক্ষোভ দেখান সমর্থকরা। তবে পার্টি অফিসে কোনও নেতা না থাকায় বড় কোনও সমস্যা হয়নি। ছাতনা ১ মণ্ডল সভাপতি বদলের জোরদার দাবি উঠেছে।
নভেম্বর থেকে বিজেপি জেলা স্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন শুরু হয়েছে। নেতৃত্বের মনোনয়নের ভিত্তিতে ঠিক হচ্ছে মণ্ডল সভাপতি। ছাতনা এক নম্বরের মণ্ডল সভাপতি ছিলেন অশোক বিড। কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে জীবন মণ্ডলকে। কিন্তু তাঁকে মেনে নিতে নারাজ অধিকাংশ কর্মী, সমর্থন। বৃহস্পতিবার সকালে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাসবোঝাই করে সমর্থকরা হাজির হন জেলা বিজেপি কার্যালয়ে। সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। উপস্থিত ছিলেন ৫৪ জন বুথ সদস্য-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীরা। এ বিষয়ে বাঁকুড়া জেলা বিজেপি সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্রর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, দলের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার। সংবাদমাধ্যমে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চান না।

[আরও পড়ুন: কালিয়াগঞ্জে পদ্মকে টেক্কা দিল ঘাসফুল, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জয়ী তৃণমূল]

সামগ্রিকভাবে বাঁকুড়া জেলা বিজেপির পরিস্থিতি এরকমই। গোটা জেলায় মোট ২৬টি মণ্ডল হয়েছে। ছাতনায় ৩টি মণ্ডল। তার মধ্যে ছাতনা ১ মণ্ডলের সভাপতি নিয়েই অন্তর্দ্বন্দ্ব। এছাড়া গঙ্গাজলঘাঁটি, ইন্দাস, পাত্রসায়র-সহ জেলাজুড়েই এরকম ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে। আগামী বছর বাঁকুড়া পুরসভায় নির্বাচন। কিন্তু জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে কোথাও সেই প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে সূ্ত্রের খবর। সবমিলিয়ে বাঁকুড়া জেলা বিজেপি সাংগঠনিকভাবে একেবারেই শক্তিশালী নয় বলে মনে করছে মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূল। আজই রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে একেবার হোয়াইট ওয়াশ হয়েছে বিজেপি। তারউপর বাঁকুড়ায় একেবারে নিচু স্তরের সংগঠনের নেতা নির্বাচন নিয়ে এমন বিক্ষোভ।একুশের আগে যে গেরুয়া শিবির বেশ বেকায়দায় পড়েছে, তেমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

[আরও পড়ুন: নাগাল পায়নি NIA, তার আগেই মৃত্যুদণ্ড খাগড়াগড়ের ভিলেন নাসিরুল্লার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement