Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mahakumbh 2025

মহাকুম্ভে মাকে হারিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ছেলের, বঙ্গতনয়ার হাত ধরেই রাজ্যে ফিরলেন বৃদ্ধা

যোগীর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ১৬:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ১৬:৫৭

options
link
মহাকুম্ভে মাকে হারিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ছেলের, বঙ্গতনয়ার হাত ধরেই রাজ্যে ফিরলেন বৃদ্ধা zoom
মহাকুম্ভে হারিয়ে যাওয়া গীতা মণ্ডল (বামদিকে)। যাদবপুপরের গার্গীদেবী (ডানদিকে)।

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: মহাকুম্ভে কোটি-কোটি পুণ্যার্থীর ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলেন সুন্দরবনের বৃদ্ধা। পুণ্যস্নানে গিয়ে মাকে হারিয়ে যোগীরাজ্যের পুলিশের দ্বারস্থ হন বৃদ্ধার ছেলে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বরং বাংলারই এক মহিলার সাহায্যে মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে। পরিবার ফিরে পেলেন বৃদ্ধাও।

সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের সাতজেলিয়া দয়াপুরের রেণুকানগর মৃধাপাড়ার বাসিন্দা গীতা মণ্ডল। বয়স ৬০ বছর। তিনি ছেলে গৌরাঙ্গ মণ্ডলের সঙ্গে পুণ্যস্নানের জন্য মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মায়ের খবর না পেয়ে বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন গীতাদেবীর ছেলে। শেষপর্যন্ত যোগীরাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। প্রয়াগরাজ কমিশনারেটের অধীনস্থ কোতবালি ঝুন্সি থানায়। কোনও ফল হয়নি। অবশেষে গৌরাঙ্গবাবু তাঁর মাকে খুঁজে পেয়েছেন গার্গী ওঝা নামে এক বাঙালি মহিলার সৌজন্যে।

Advertisement

যাদবপুরের ওই মহিলার সঙ্গে প্রয়াগরাজের ঝুন্সি স্টেশনে দেখা হয়েছিল বৃদ্ধা গীতাদেবীর। সেই সময় স্টেশনে বসে অনর্গল কাঁদছিলেন তিনি। ঘটনার বিবরণ শুনে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন গার্গীদেবী। বৃদ্ধাকে আগলে রেখে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন পরিবারের সঙ্গে। কোনওভাবেও যোগাযোগ করতে না পেরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই হাওড়াগামী ট্রেনে উঠে পড়েন। ট্রেনে উঠে গীতাদেবী জানায়, তাঁর মেয়ের বাড়ি বিধাননগর উল্টোডাঙা এলাকায়। কলকাতায় পৌঁছে গীতাদেবীকে উল্টোডাঙায় তাঁর মেয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেন গার্গীদেবী। মা প্রয়াগরাজ থেকে বাড়িতে ফেরায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন ছেলে গৌরাঙ্গও।

প্রয়াগরাজ থেকে গৌরাঙ্গ জানিয়েছেন, “মা কে খুঁজে না পেয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। পরে যাদবপুরের গার্গীদেবী আমার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। আমার মাকে কলকাতার বিধানগর উল্টোডাঙা এলাকায় দিদির বাড়িতে সুস্থ অবস্থায় পৌঁছে দেন। গার্গীদেবীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রয়াগ থেকে কলকাতায় ফিরে মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করব।” অন্যদিকে গার্গীদেবী জানিয়েছেন, “প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভে গিয়েছিলাম পুণ্যস্নান করতে। সেখান থেকে ফেরার সময় দেখতে পাই ঝুঁন্সি স্টেশনে বসে এক মা অনর্গল কাঁদছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলি। তিনি জানান, তাঁর বাড়ি সুন্দরবন এলাকায়। তাঁকে উদ্ধার করি। নিজের দায়িত্বে সুস্থ অবস্থায় বৃদ্ধা মা কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে। পাশাপাশি মনে হয় মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করা সফল হয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.