Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Jalpaiguri

মরি নাই! নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে ৬ মাস ধরে ছুটছেন জলপাইগুড়ির মহিলা

বাতিল হয়েছে রেশন থেকে আধার কার্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১৭:১৭

options
link
মরি নাই! নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে ৬ মাস ধরে ছুটছেন জলপাইগুড়ির মহিলা zoom
শম্পা রায়।

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: সরকারি জন্ম-মৃত্যু পোর্টালে তাঁকে মৃত বলে দেখানো হচ্ছে। মৃত তালিকা থেকে নাম কাটাতে এক অফিস থেকে অন্য অফিসে ছুটছেন গৃহবধূ। প্রমাণ করতে হবে তিনি জীবিত। ছ’মাস ধরে ছোটাছুটির পরও মিলছে না সুরাহা। বাতিল হয়েছে রেশন থেকে আধার কার্ড। বঞ্চিত সকল সরকারি সুবিধা থেকে।

শম্পা রায়। জলপাইগুড়ির বানারহাটের সাকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৬ মাস আগে শম্পা জানতে পারেন তিনি ‘মৃত’। সরকারি বিভিন্ন জায়গা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। মিলছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পের সুবিধা। এই ঘটনায় চরম সমস্যায় ফেলেছে তাঁকে। নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে এঅফিস থেকে ওসফিস ছুটে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শম্পা রায় জানিয়েছেন, “ছয় মাস ধরে ঘুরছি। পঞ্চায়েত অফিস থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসন পর্যন্ত কোথায় যায়নি। কিন্তু সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি। এক অফিস থেকে আরেক অফিসে ছুটতে ছুটতে দিশেহারা হয়ে পড়ছি।” এই ঘটনায় লেগেছে রাজনৈতির রং। বানারহাটের বিজেপি নেতা কৌশিক নন্দী বলেন, “জীবিত মানুষকে মৃত দেখানো হচ্ছে। সরকার চলছে না, সার্কাস চলছে।” তৃণমূলের পালটা, প্রশাসন বিষয়টি দেখছে।

তবে কেন এমন কাণ্ড ঘটল? কী করে এতবড় ভুল তা নিয়ে ধোঁয়াশা। কোনও টেকনিক্যাল কারণে মৃতের তালিকায় শম্পাদেবীর নাম উঠে গিয়েছে বলে মনে করছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। কী করে এই সমস্যার সমাধান করা যায়, তাও তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশায় শম্পা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.