Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

হুগলির বিজেপি অফিসে তালা, ঢুকতে না পেরে ফিরে গেলেন নাড্ডা

বিশৃঙ্খলা সামলাতে বিজেপি নেতাকে ধমক লকেটের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২২, ০৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২২, ০৯:৩০

options
link
হুগলির বিজেপি অফিসে তালা, ঢুকতে না পেরে ফিরে গেলেন নাড্ডা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: রাজ্য বিজেপিতে (BJP) ডামাডোল পরিস্থিতি। ব্লক থেকে রাজ্যস্তর, সর্বত্রই গোষ্ঠীকোন্দলে জর্জরিত গেরুয়া শিবির। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীন যে হুগলি সাংগাঠনিক জেলার দলীয় কার্যালয়ে ঢুকতেই পারলেন না বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (J P Nadda)। বুধবার তাঁর কনভয় যখন কার্যালয়ের সামনে পৌঁছয় তখন পার্টি অফিসের দরজায় ঝুলছে মস্ত তালা। মিলছে না চাবি। সেই চাবি কোথায়, তা নিয়েও নেতাদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় দোষারোপের পালা। যা নিয়ে রীতিমতো হুলুস্থুল কাণ্ড বাঁধে। আর এই ঘটনার পিছনে রয়েছে পদ্মশিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

কোন্দলের শুরুটা হয়েছিল নাড্ডা পৌঁছনোর আগেই। তিনি চুঁচুড়ার বন্দেমাতরম ভবনে পৌঁছানোর আগেই রীতিমতো বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল জোড়াঘাটে। সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে একসময় রীতিমতো ধমকাতে দেখা যায় বিজেপি নেতা দীপাঞ্জন গুহকে। বিশেষ সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় সভাপতির এই সফরের আগে রাস্তার ধার থেকে জেলা সভাপতির বিভিন্ন ফেস্টুন সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আর সেই ফেস্টুন সরিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে গোলমালের সূত্রপাত। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতিও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভবানীপুর জোড়া খুন কাণ্ডে গ্রেপ্তার ২, তিনদিনের মাথায় খুলল রহস্যের জট]

এদিকে বন্দেমাতরম ভবন পরিদর্শনের পর চন্দননগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে চুঁচুড়ায় বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার পার্টি অফিসে কিছুক্ষণ কাটিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির। কিন্তু চাবি বিভ্রাটে সেখানে ঢুকতেই পারলেন না তিনি। রাজনৈতিক মহল বলছে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সামনেই বঙ্গ বিজেপির আসল কঙ্কালসার চেহারাটা বেরিয়ে এসেছে। দলের অন্দরে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ কোন পর্যায়ে পৌঁচছে তার আঁচ পেয়েছেন খোদ নাড্ডাও। আর তাই হয়তো দলের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আরেক কেন্দ্রীয় নেতা তথা দক্ষ সংগঠক বি এল সন্তোষ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন,”রাজ্য নেতাদের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় নেই কেন?”

এদিন রাতেও নিউটাউনের হোটেলে দলের কোর কমিটির সঙ্গে আবার বৈঠক করেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা। সেখানে দলের মধ্যে চলা বিদ্রোহের পরিস্থিতি অবিলম্বে সামাল দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত দ্বন্দ্ব মিটিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলকে সঙ্ঘবদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন জে পি নাড্ডা। কিন্তু সেই পরামর্শে কি আদৌ কর্ণপাত করবেন শুভেন্দু-সুকান্ত-দিলীপরা, সেটাই এখন দেখার।

[আরও পড়ুন: Primary TET দুর্নীতি: ২০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি! অভিযুক্তর বিরুদ্ধে CBI তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.