Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

উৎসবের বার্তা, মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার কালীপুজোয়

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে নজির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৭:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৭:১৯

options
link
উৎসবের বার্তা, মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার কালীপুজোয় zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: উৎসব মানে কি শুধুই জাঁকজমক, আলোর রোশনাই? এর বাইরেও অনেক কিছু আছে। যেটা দেখিয়ে দিল পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের একটি পুজো কমিটি। পুজো মণ্ডপে আসা দর্শনার্থীদের মরণোত্তর চক্ষুদানের আবেদন জানান উদ্যোক্তারা। তাদের উদ্যোগে সাড়া মেলে শুরুতে। পুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে মণ্ডপের মধ্যে মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার করেন। বিধায়ককে দেখে অনেকেই এগিয়ে আসেন।

[সমূহ বিপদের মুখে দেশ, দূষণের জেরে মৃত্যুর সংখ্যায় চিনকেও ছাপিয়ে গেল ভারত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

BHATAR-EYE-DONATION

বুধবার সন্ধ্যায় ভাতার বাজারে মা সারদা সংঘের কালীপুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ছিল। অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী ধ্যানানন্দজি মহারাজকে এবং ভাতার থানার ওসি-সহ এলাকার বিশিষ্টজনদের। দশম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ক্লাবের পুজো এবছর ধুমধাম সহকারে করা হয়। এর সঙ্গে আয়োজকদের তরফে মরণোত্তর চক্ষুদানের জন্য দর্শনার্থীদের আবেদন জানানো হয়। উদ্যোক্তারা মাইকে ঘোষণা করেন কেউ চক্ষুদানে ইচ্ছুক হলে নাম মণ্ডপেই নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে। দাতাদের চক্ষু হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার কথা জানান উদ্যোক্তারা।

[জন্মদিনে বীরুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ‘উলটো’ টুইট শচীনের]

পুজো মণ্ডপের পাশেই বাড়ি মা সারদা সংঘের এক সদস্য ধীমান ভট্টাচার্যের। কয়েকমাস আগে তাঁর মা তৃপ্তিদেবী মারা যান। ধীমানবাবুর মায়ের মৃত্যুর পর স্থানীয়রা জানতে পারেন তিনি মরণোত্তর চক্ষুদান করে গিয়েছিলেন। চক্ষু হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ থেকে চক্ষু সংগ্রহ করা হয়েছিল। ধীমানবাবু বলেন, ‘‘আমার মায়ের চক্ষুদানে অনেকেই প্রেরণা পায়। ক্লাবের পক্ষ থেকে তাই এমন সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়।’’ সারদা সংঘের পুজোর উদ্বোধনে ক্লাবের উদ্যোগের কথা শুনে বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল খুশি হন। নিজেও মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার করেন। হঠাৎ মাইকে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে যারা চক্ষুদানে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তাদের নাম ফোন নম্বর লিখে রাখা হয়েছে। এরপর বিভিন্ন আই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। সারদা সংঘের সদস্যরা বলছেন ধীমানবাবুর মা চলে গেলেও অনেককে শিক্ষা দিয়েছেন। কালীপুজো সেই বুনিয়াদ আরও মজবুত করল।

ছবি: জয়ন্ত দাস

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.