Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রাতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নবদম্পতির ঘরে উঁকি, এ কী পরিণতি হল যুবকের!

নবদম্পতির ঘরের জানলার কোনও পাল্লা ছিল না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৮, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৮, ১১:৫০

options
link
রাতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নবদম্পতির ঘরে উঁকি, এ কী পরিণতি হল যুবকের! zoom

রিন্টু ব্রহ্ম, কালনা: প্রতিরাতে ঘনিষ্ট মুহূর্তে শোয়ার ঘরের জানালায় চোখ গেলেই হয় আবছা মুখ, কখনও শুধুই ছায়া। একদিন তো জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে নবধূকে ছুঁয়ে দেখারও চেষ্টা চালিয়েছিল সেই ছায়া। তিতিবিরক্ত দম্পতি উচিত শিক্ষা দিতে জবরদস্ত এক ফন্দিও আঁটেন। জানালায় জড়িয়ে দেওয়া হয় বিদু্তের তার। কেউ উঁকি দিতে এলে শক খাবে। তাহলে আর কোনওদিন এমুখো হবে না। কিন্তু তা থেকে যে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যাবে, বুঝতে পারেননি ওই দম্পতি। উঁকি দিতে গিয়ে বিদ্যুতের ছোবল খেলেন যুবক ভোগা বৈরাগ্য (৩২)। কিন্তু আর উঠে দাঁড়াতে পারলেন না। বিপদ ঘটে গিয়েছে বুঝতে পেরে রাতারাতি দেহ ফেলে আসা হয় রাজ্য সড়কের ধারে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। ময়নাতদন্ত বলে দিল, বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়েই মারা গিয়েছেন ওই যুবক। আর আড়াই মাস পর খুনের অভিযোগে নবদম্পতি-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করল কালনা থানার পুলিশ।

[দুই নাবালিকা মেয়েকে গলার নলি কেটে খুন, গ্রেপ্তার বাবা]

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাজু সর্দার, বিধান সর্দার  ও খুদু সেন। রাজুই নববধূর স্বামী। গত ২৯ আগস্ট ভোরে কালনার বুলবুলিতলা ফাঁড়ি এলাকায় এসটিকেকে রোডের ধার থেকে ভোলা বৈরাগ্যর দেহ উদ্ধার হয়। বউমার বিরুদ্ধে ছেলেকে খুনের অভিযোগ তুলেছিলেন মৃতের মা। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তাঁদের চমকে দিয়েছিল। রিপোর্টে বলা হয়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ভোলার। কিন্তু, ফাঁকা রাস্তায় কীভাবে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলেন? ধন্দে পড়েছিলেন তদন্তকারীরা। গ্রামবাসীদের জেরা করে কিছু তথ্য পায় পুলিশ। সেই সূত্র ধরে রহস্যের কিনারা করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের ওই আধিকারিক। পুলিশ জানতে পারে, স্থানীয় বাসিন্দা রাজু সর্দারের নতুন বিয়ে হয়েছে। ঘরের জানালায় কোনও পাল্লা নেই। রাতে কেউ জানলা দিয়ে ঘরে উঁকিঝুঁকি মারতেন। এমনকী বধূকে স্পর্শ করারও চেষ্টা করতেন। পুলিশের অনুমান, ওই দুষ্কৃতীকে শায়েস্তা করতে জানালার শিকে বিদ্যুৎবাহী তার জড়িয়ে রাখা হয়েছিল। রাজু ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি হওয়ায় তাঁর পক্ষে বিষয়টা সহজ হয়েছিল। রাতে  জানালা দিয়ে উঁকি মারতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ভোলা। ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় রাজু ও তাঁর সঙ্গীরা দেহ তুলে নিয়ে গিয়ে রাস্তার ধারে ফেলে এসেছিল। ধৃতরা অবশ্য খুনের কথা স্বীকার করেননি। তাদের জেরা করে তথ্য পেতে চায় পুলিশ।

[ সিনেমার কায়দায় অপহরণের ছক, কুলটির নিষিদ্ধপল্লিতে শুট আউট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.