Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পড়ুয়াদের জন্য রান্নার বাসন রাখা শৌচাগারে, পরিদর্শনে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ বিডিওর

শৌচাগারের প্যানের ওপরে যত্ন করে রাখা হয়েছে রান্নার সরঞ্জাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ২০:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ২০:৩৯

options
link
পড়ুয়াদের জন্য রান্নার বাসন রাখা শৌচাগারে, পরিদর্শনে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ বিডিওর zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে শৌচাগারের হাল দেখতে উঁকি দিয়েছিলেন বিডিও। ঝাঁ চকচকে শৌচাগার। এক ঝলক দেখে প্রথমে খুশিই হয়েছিলেন বিডিও। তারপর একটু নীরিক্ষণ করে দেখতেই চক্ষু চড়কগাছ। শৌচাগারের প্যানের ওপরে ওগুলো কী? বিডিও দেখলেন শৌচাগারের প্যানের ওপরে যত্ন করে রাখা হয়েছে রান্নার সরঞ্জাম। বালতি থেকে হাঁড়ি, হাতা, খুন্তি এবং থালা বাটি, গ্লাস। যেসব বাসনপত্র রান্নাঘরে রাখার কথা সেগুলি রাখা হয়েছে শৌচাগারের মধ্যে।

[মহিলা বন্দিদের লকআপে সাপ! হুলস্থুল কাণ্ড ধূপগুড়ি থানায়]

ঘটনাটি কাটোয়ার ঘোড়ানাস গ্রামের ১/১৬ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের। মঙ্গলবার কাটোয়া ২নং ব্লকের বিডিও শিবাশিস সরকার ওই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে এই অবস্থা দেখতে পান। রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিডিও ওই কেন্দ্রের আইসিডিএস কর্মী এবং তাঁর সহায়িকাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন। তিনি বলেন, ‘১/১৬ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ঘরের বা শৌচাগারের সমস্যা নেই। কিন্তু কেন্দ্রের কর্মীরা প্রচন্ড অসচেতন।’ ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে মহকুমাশাসককেও জানান শিবাশিস বাবু। কাটোয়ার মহকুমাশাসক সৌমেন পাল জানিয়েছেন, ওই কেন্দ্রের কর্মীদের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। মহকুমা দপ্তরে ডেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

[লাইনচ্যুত টয় ট্রেন, আতঙ্কিত যাত্রীরা]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই কাটোয়া মহকুমা এলাকায় বিভিন্ন ব্লকে প্রশাসন থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলোতে পরিদর্শন করা হচ্ছে। খাবারের মান, পঠনপাঠন, পরিকাঠামোগত সমস্যা ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে পরিকাঠামোগত সমস্যা দেখা গেলেও কর্মীদের মধ্যে অসেচতনতার এই ছবি ধরা পড়েনি। কিন্তু ঘোড়ানাস গ্রামের ১/১৬ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের এই ছবি দেখে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তাঁরা ওই আইসিডিএস কর্মী বাণী চক্রবর্তী এবং তাঁর সহায়িকা ডলি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। যদিও, এসবের মধ্যেও নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মরিয়া ওই দুই শিক্ষাকর্মী। তাঁদের দাবি, শৌচাগারটি নতুন, এখনও ব্যবহৃত হয়নি, তাই তাতে বাসনপত্র রাখতে কোনও সমস্যা নেই। স্থানীয়রা অবশ্য অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই শৌচাগারটি ব্যবহার করেন বাণী চক্রবর্তী ও তাঁর সহায়িকা ডলি চক্রবর্তী। এদিকে, এই ঘটনার পরই বৃহস্পতিবার কাটোয়া ব্লকের সমস্ত আইসিডিএস আধিকারিক এবং কর্মীদের ডেকে পাঠিয়েছেন মহকুমাশাসক।

ছবি: জয়ন্ত দাস

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.