Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬
Kurmi

তৃণমূল, বিজেপি থেকে সিপিএম, গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়তে সাহায্যকারী কুড়মি

৫ পঞ্চায়েতে কুড়মিদের প্রধান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৩, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৩, ১৮:৪৭

options
link
তৃণমূল, বিজেপি থেকে সিপিএম, গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়তে সাহায্যকারী কুড়মি zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: শাসকদল তৃণমূল থেকে বিজেপি। এমনকি সিপিএমও। গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়তে সাহায্যকারী কুড়মিরা। জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায় এভাবেই তিন গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে ওই তিন রাজনৈতিক দল। এছাড়া এই জেলার পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান হয়েছে কুড়মি সমর্থিত নির্দল।

পুরুলিয়া দু’নম্বর ব্লকের রাঘবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে এক কুড়মি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে বোর্ড গড়েছে বিজেপি। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান হয়েছেন বিজেপির দীনবন্ধু মাহাতো। উপপ্রধান অমিয় অধিকারী। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ২১ টি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি এখানে একাই পায় ১১ টি আসন। তৃণমূল পায় ছটি আসন। কুড়মি সমর্থিত নির্দল ও সিপিএম পায় দুটি করে মোট চারটি আসন। কুড়মি সমর্থিত এক নির্দল জয়ী সদস্যের সমর্থনে ১২ টি ভোট পেয়ে বোর্ড গড়ে বিজেপি। পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের স্লোগান ছিল চোর মুক্ত পঞ্চায়েত গড়া। রাঘবপুরে আমরা সেই পঞ্চায়েত গড়েছি। “

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঝালদা দু’নম্বর ব্লকের নোয়াহাতু গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান হয়েছে কুড়মি সমর্থিত নির্দলদের সমর্থনে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রধানের নাম কাজলা মাহাতো, উপপ্রধান শিলাবতি মাহাতো। উপপ্রধানের ক্ষেত্রেও সমর্থন দিয়েছে কুড়মি সমর্থিত নির্দলরা। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ১৯। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে কুড়মি সমর্থিত নির্দল পায় সাতটি আসন। তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৪ টি আসন। কংগ্রেস চারটি, সিপিআইএম তিনটি, বিজেপি একটি। তৃণমূল কংগ্রেসের চার সদস্যকে কুড়মি সমর্থিত নির্দলের ছয় এবং বিজেপির এক সদস্য সমর্থন করেন। এছাড়া আরও এক সদস্য তৃণমূলকে সমর্থন করেন। ফলে ১২ টি ভোট পেয়ে শাসকদল পঞ্চায়েত গড়ে।

[আরও পড়ুন: বিজেপির সমর্থনে নন্দীগ্রামের মহম্মদপুরে পঞ্চায়েত প্রধান সুফিয়ানের জামাই!]

অন্যদিকে আরেকজন কুড়মি সমর্থিত নির্দল কল্যাণী মাহাতো প্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাকে সমর্থন করেছিল কংগ্রেস ও সিপিএম। কিন্তু বোর্ড গঠনে অসফল হলেন তারা। কিন্তু এইভাবে মিলিজুলিতে সঠিকভাবে পঞ্চায়েত চালানো যাবে তো? শাসক দলের প্রধান কাজলা মাহাতো বলেন, ” এলাকার উন্নয়নের জন্যই এই পঞ্চায়েত গড়েছি আমরা। এই পঞ্চায়েত মানুষের পঞ্চায়েত। ভালোভাবেই আমাদের কাজ হবে। কোন সমস্যা হবে না।” নোয়াহাতু অঞ্চল তৃণমূলের সহ-সভাপতি প্রদীপ মাহাতো বলেন, ” যে কুড়মি সমর্থিত ছয় নির্দলের আমরা সমর্থন পেয়েছি তারা আসলে তৃণমূলেরই । কুড়মি সমর্থিত নির্দল হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এই যা। “

বিজেপি, তৃণমূলের মতো একইভাবে সিপিএমও কুড়মিদের সমর্থন নিয়েছে। আড়শা ব্লকের পুয়াড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান হয়েছে সিপিএমের। উপপ্রধান বিজেপির। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ১৬। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে কুড়মি সমর্থিত নির্দল পায় পাঁচটি আসন। বিজেপি ও সিপিএম দু’টি করে চারটি ও তৃণমূল কংগ্রেস সাতটি। সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপ রায় বলেন, “কুড়মি সমর্থিত নির্দল কোন রাজনৈতিক দল নয়। তারা নির্দল। ফলে তাদের সমর্থন বোর্ড গড়তে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। আমাদের স্লোগানই ছিল বিজেপি, তৃণমূল ছাড়া সকলকে ঐক্যবদ্ধ করো। ” আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা ( প্রধান নেতা ) অজিতপ্রসাদ মাহাতো বলেন, “এলাকার উন্নয়নের জন্য আমরা সমর্থন করেছি। আমরা যে বড় ফ্যাক্টর সেটা প্রমাণ হয়ে গেল।”

জঙ্গলমহলের এই জেলায় যে পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতে কুড়মি সমর্থিত নির্দল প্রধান হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত গুলি হল আড়শা ব্লকের মানকিয়ারি, পুরুলিয়া দু’নম্বর ব্লকের বেলমা, আগয়া-নড়রা, পুরুলিয়া এক নম্বর ব্লকের ভান্ডারপুয়াড়া-চিপিদা ও পাড়া ব্লকের দেউলি।
দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: হাতে চিরকূট, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে আচমকা উপস্থিত ‘রহস্যময়’ ব্যক্তি!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.