অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: ডাল-পাতা কেটে ফেলা কাঁঠাল গাছের ডাল থেকে কষ নয়, জলের মতো তরল পদার্থ বের হওয়ায় হতবাক এলাকাবাসী। গাছের ‘অলৌকিক কাণ্ড’ ভেবে ওই জল সংগ্রহ করতে রোগগ্রস্ত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন গাছতলায়। অবাক করা ব্যাপার দেখে গাছের মালিকও গাছ কাটা স্থগিত রেখেছেন। মুর্শিদাবাদের রানিনগরের মোহনগঞ্জ বাবুপাড়া এলাকার ঘটনা।
[ এক মিনিটেই আঁকেন নেতাজির নিখুঁত ছবি, বাংলার বিস্ময় বিশ্বনাথ]
কেউ ওই গাছের জল সংগ্রহ করার জন্য ডালে কেটলি বেঁধেছেন, তো কেউ কাপ, গ্লাস নিয়ে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে। আবার কেউ কৌতূহল নিবারণের জন্য গাছ দেখতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে প্রভাবিত হচ্ছেন। লোভ সংবরণ করতে না পেরে কারও কাছ থেকে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক সংগ্রহ করে তাতেই ডালের ওই জল সংগ্রহ করছেন। প্রত্যক্ষদর্শী এক বাস চালক প্রদ্যুৎ সাহা জানান, “মানুষের কতটা ভাল হচ্ছে জানি না। তবে দশ-বারোদিন ধরেই এই অবস্থা চলছে। প্রতিদিনই কয়েকশো মানুষ ওই রস মানে গাছের জল সংগ্রহ করছেন। কেউ বলছেন গাছের অলৌকিক কাণ্ড, কেউ বলছেন গাছের কান্না। এভাবে সবুজ নিধনের প্রতিবাদেই ওই কান্না।” কেউ বলছেন অভিশাপ। ঘটনা যাই হোক, কাঁঠাল গাছ থেকে আঠা জাতীয় পদার্থ বের হওয়া আশ্চর্যের নয়। কিন্তু, তা না হয়ে কেন কী কারণে কাঁঠাল গাছ থেকে খেজুরের রসের মতোই অনবরত জল বেড়িয়ে আসছে? প্রশ্ন সেখানেই। উত্তরটা স্থানীয়রা কেউ জানেন না। এমনকী উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিকের মনেও কৌতূহল। ডোমকল মহকুমা উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জয় দত্ত জানান, “এই সময়ে সব গাছের শরীরের মধ্যেই রসের আধিক্য থাকে। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই গাছগুলো থেকে মুকুল আসবে। কোনও গাছে নতুন পাতা বেরবে। হয়তো সেই কারণেই গাছের কাটা অংশ থেকে রসালো পদার্থ বেরিয়ে আসছে।” তবে এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।
[ চলে গেলেন পতাকা গবেষক কালী স্যর, শোকস্তব্ধ আসানসোল]
সর্বশেষ খবর
-
২০ বছরের বঞ্চনা! বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ীকরণের দাবিতে বাঁকুড়ায় পঞ্চায়েত দপ্তরে ডেপুটেশন
-
জাল নথি দেখিয়ে চাকরি! দুই ‘ভুয়ো’ চিকিৎসককে বহিষ্কার করল রাজ্য সরকার
-
সাংসদ কি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতির্ময়? টানা ৪ বার রাজ্য বিজেপির পদপ্রাপ্তিতে তুঙ্গে জল্পনা
-
৯৪ ধাপ পিছিয়েও দুর্দান্ত লড়াই! বিশ্বকাপ খেলা পানামার বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবলে ড্র ভারতের
-
ভোটে জিতে দলবদল ১১১ বিধায়ক-সাংসদের! বাংলা নয়, দলবদলে শীর্ষে দেশের এই রাজ্য