Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ছেঁড়া চটি পায়ে নরওয়ে পাড়ির স্বপ্ন, ফুটবলে মজে চা-শ্রমিকদের মেয়েরা

বন্ধুরা স্বপ্ন দেখে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭, ১৩:১৮

options
link
ছেঁড়া চটি পায়ে নরওয়ে পাড়ির স্বপ্ন, ফুটবলে মজে চা-শ্রমিকদের মেয়েরা zoom

ব্রতীন দাস, শিলিগুড়ি: পায়ে ছেঁড়া চটি৷ কারও আবার খালি পা৷ মলিন জামা৷ ঘরে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়৷ কিন্তু তাতে কী! ওদের দু’চোখে এখন স্বপ্ন নরওয়ে পাড়ি দেওয়ার৷ আর সেই স্বপ্ন স্বার্থক করতেই চা বাগানের মাঠে বল পায়ে ঘাম ঝরাাচ্ছে মুন্ডা, উমা নায়েক, রেশমি মুন্ডা, সাকিনতা লাকড়ার মতো কিশোরীরা৷ প্রত্যেকেই চা শ্রমিকের মেয়ে৷ কিন্তু ফুটবলে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতেই ওদের এখন ‘পাখির চোখ’ হোমলেস ওয়ার্ল্ডকাপ৷ নরওয়েতে যা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে চলতি বছরের আগস্টে৷ কিন্তু তার আগে উমা-রেশমিদের পেরতে হবে বেশ কয়েকটি ধাপ৷ সেই লড়াই জিততেই এখন মরিয়া ওরা৷ আগামী সপ্তাহেই মুম্বইয়ের পূর্ব আন্ধেরীতে সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ছেলেমেয়েদের নিয়ে বসতে চলেছে জাতীয় ফুটবলের আসর৷ সেখানে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তৈরি হবে চূড়ান্ত টিম৷ যারা ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে ওই হোমলেস ওয়ার্ল্ডকাপে৷

(বর্ধমানে বেলাইন মালগাড়ি, দেরিতে চলছে একাধিক ট্রেন)

ডুয়ার্সের নাগরাকাটা, বানারহাট, জয়পুরের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন ডেঙ্গুয়াঝাড় চা বাগানেও মেয়েদের ফুটবলের কোচিং চলছে জোরকদমে৷ আয়োজক জলপাইগুড়ি ‘খেলদুয়ার’ নামে একটি সংস্থা৷ এই কোচিং ক্যাম্প থেকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে প্রতিভাবানদের৷ উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, চা বাগানের মেয়েদের স্কিল ডেভলপমেন্টের পাশাপাশি খেলাধুলোর মাধ্যমে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোটাই মূল লক্ষ্য৷ সেক্ষেত্রে স্কুলছুটের সংখ্যাও কমবে৷ তাঁদের দাবি, চা বাগানে অনেক মেয়ে রয়েছে, যারা শুধু ফুটবল কেন, অনেক খেলাতেই বিশেষ পারদর্শী৷ কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ আর প্ল্যাটফর্মের অভাবে তারা নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারে না৷ ফলে তাদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ৷ জলপাইগুড়ি খেলদুয়ার সংস্থার কর্তা শুভাশিস ঘোষ বলেছেন, মুম্বইয়ে জাতীয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে চারটি চা বাগান থেকে চারজন করে মেয়েকে বাছাই করা হয়েছে৷ সেখানেই ঠিক হবে চূড়ান্ত টিমে কারা থাকবে৷ তবে এই উদ্যোগ সারা বছর চালিয়ে যেতে চান তাঁরা৷ চা বাগানের মেয়েদের ফুটবলও দেওয়া হয়েছে৷ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন ডেঙ্গুয়াঝাড় চা বাগানের ম্যানেজার জীবনচন্দ্র পান্ডে৷ খুশি প্রশাসনের কর্তারাও৷

Advertisement

(কুয়োয় পড়ে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.