দিল্লিতে বলছেন মোদি
দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে মোদি বলেন, "ভারত মাতা কী জয়। আজকের দিন ঐতিহাসিক, অভূতপূর্ব। দলের সব কর্মীদের আনন্দে আমি অংশীদার। আজ বিশ্বাসের দিন। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে বিশ্বাসের দিন। আজ গণতন্ত্রে ভরোসার দিন। বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম, পুদুচেরির মানুষকে প্রণাম। আজ নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।"
কবিগুরুর জন্মদিনে বিধায়কদের শপথগ্রহণ
২৫ সে বৈশাখ (৯ মে) রাজ্যে অষ্টদশ বিধানসভার শপথগ্রহণ হবে রাজভবনে। আগামিকাল রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এস ওয়াই যোশী। বুধবার নির্বাচন কমিশনের গ্যাজেট নটিফিকেশন নিয়ে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি যাবেন রাজভবনে, এমটাই কমিশন সূত্রে খবর।
কবিগুরুর জন্মদিনে বিধায়কদের শপথগ্রহণ
২৫ সে বৈশাখ (৯ মে) রাজ্যে অষ্টদশ বিধানসভার শপথগ্রহণ হবে রাজভবনে। আগামিকাল রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এস ওয়াই যোশী। বুধবার নির্বাচন কমিশনের গ্যাজেট নটিফিকেশন নিয়ে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি যাবেন রাজভবনে, এমটাই কমিশন সূত্রে খবর।
'বাংলায় ফুটল পদ্ম', টুইট মোদির
পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া সুনামি। প্রায় ২০০ আসনে এগিয়ে বিজেপি। এনিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন, 'বাংলা ফুটল পদ্ম। এই নির্বাচন ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। জনতাই জয়ী। বিজেপির সুশাসন জিতল। বঙ্গের প্রত্যেক মানুষকে আমার প্রণাম। আমরা সমাজের সব স্তরে সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেব।'
দিকে দিকে তৃণমূল কার্যালয়ে 'হামলা'
ভোটগণনার মাঝেই রাজ্যের নানা প্রান্তে তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে চালে উঠে পতাকা লাগানোর অভিযোগ। বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয় দখলের অভিযোগ। জামালপুরে শাসক শিবিরের কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় গেরুয়া শিবির।
তৃণমূল অফিসে আগুন
জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। বীজপুর এবং নোয়াপাড়াতেও তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ। এরপরেই জেলাশাসক, সিপিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের।
ভিডিও বার্তা মমতার
ভিডিও বার্তায় মমতা বলেন, 'দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট, প্রার্থীরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আমি আগেই বলেছিলাম প্রথম দু তিন রাউন্ডে ওদের গুলো আগে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখেছে। কল্যাণীতে ৭টা মেশিন পাওয়া গেছে , যেখানে কোনও মিল নেই। এসআইআরে ভোট লুঠ করেছে। ৭০-১০০ টা সিটে আমরা এগিয়ে, সেগুলো প্রকাশ করছে না। মিডিয়ায় মিথ্যে খবর খাওয়াচ্ছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর আন্ডারে কাজ করছে আমাদের পুলিশ। ভয় পাবেন না, মনখারাপের কারন নেই, সূর্যাস্তের পর তৃণমূলই জিতবে। ১৪-১৮ রাউন্ডের পরই আপনারা জিতবেন, আমি পাশে আছি, বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করুন।'
বাগদায় এগিয়ে সোমা ঠাকুর, পিছিয়ে মধুপর্ণা
বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রে সপ্তম রাউন্ড শেষ। বিজেপির প্রার্থী সোমা ঠাকুর পেয়েছেন ৪০৬৯৯ ভোট। মধুপর্ণা ঠাকুরের ঝুলিতে ২৪১৭৪। ব্যবধান ১৬৫২৫। বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে চতুর্থ রাউন্ড শেষ। বিজেপির স্বপন মজুমদার পেয়েছেন ১৫৩৬৪ ভোট। ঋতুপর্ণা আঢ্য পেয়েছেন ১৪৫৯৫। গাইঘাটা কেন্দ্রে তৃতীয় রাউন্ড শেষে সুব্রত ঠাকুর পেয়েছেন ১৮২৪৭ ভোট। নরোত্তম বিশ্বাস ১১৮০৮।
ষষ্ঠ রাউন্ড শেষে পূর্বস্থলী উত্তরে ৯ হাজার ১৬ ভোটে এগিয়ে বিজেপির গোপাল চট্টোপাধ্যায়। পিছিয়ে তৃণমূলের বসুন্ধরা গোস্বামী।
আসানসোলে উত্তেজনা
আসানসোল গণনা কেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনা। গণনা কেন্দ্র থেকে কিছুটা দূরে তৃণমূল ক্যাম্প অফিসে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জ।
কী বলছেন সিইও মনোজ
ভোটগণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে রাজ্যের বেশ কয়েকটি আসনে এগিয়ে যেতেই গেরুয়া শিবির বিজয়োল্লাস শুরু করেছে। কিন্তু ফলপ্রকাশের পর আজ কি আদৌ বিজয় মিছিল করতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি? তা নিয়ে সোমবার নতুন করে নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানালেন, বিজয় মিছিল নিয়ে আলাদা করে কমিশনের কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আজ এধরনের কোনও উদযাপন না করাই ভালো বলে মনে করছে কমিশনের কর্তারা। যদি বা কেউ বিজয় মিছিল করতে চায়, তাহলে আগাম কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।
পূর্ব বর্ধমানে এগিয়ে তৃণমূল
পূর্ব বর্ধমানে ৫টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১-এর বিধানসভায় ১৬টিক একটিও পায়নি বিজেপি।
পশ্চিম মেদিনীপুর
১) মেদিনীপুর - এগিয়ে বিজেপি
২) শালবনী- এগিয়ে তৃণমূল
৩) গড়বেতা- এগিয়ে বিজেপি
৪) ডেবরা - এগিয়ে বিজেপি
৫) কেশপুর - এগিয়ে তৃণমূল
৬) নারায়ণগড়- এগিয়ে বিজেপি
৭) দাঁতন - এগিয়ে বিজেপি
৮) ঘাটাল- এগিয়ে বিজেপি
অভিযোগ নিয়ে বললেন সুব্রত গুপ্ত
বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা বন্ধের অভিযোগ। এনিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বললেন, "প্রতিটি অভিযোগই খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও কোথাও প্রযুক্তিগত কারণে হয়তো ক্যামেরা ৫-১০ মিনিটের জন্য বন্ধ হয়েছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে রিটার্নিং অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্যামেরা ঠিক করে দিয়েছেন।"
তৃণমূলের এজেন্টদের কাঁধে হলুদ গামছা, বিজেপির লাল
দুর্গাপুরে তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর এজেন্টরা কাঁধে হলুদ গামছা নিয়ে হাজির হন, অন্যদিকে জিতেন্দ্র তিওয়ারির এজেন্টদের দেখা যায় লাল গামছায়। পাণ্ডবেশ্বরের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। সেই আবহেই দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়ের বাইরে গণনা কেন্দ্রে এজেন্টদের উপস্থিতি নজর কাড়ে। গামছার রঙেও যে রাজনৈতিক অবস্থান প্রকাশ পেতে পারে, দুর্গাপুরের গণনা চত্বরে তারই ছবি ধরা পড়ে। এখন নজর ফলাফলের দিকে।
জয় বাংলা বনাম জয় শ্রীরাম
গণনা শুরুর আগেই তৃণমূলের জয় বাংলা এবং বিজেপির জয় শ্রীরাম স্লোগান। টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয় এর বাইরে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন রয়েছে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
একনজরে ভোটকথা
গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে হয় ভোটগ্রহণ। দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪টি আসনের ভোটগ্রহণ হলেও সোমবার গণনা হবে ২৯৩টি কেন্দ্রের। কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে নির্বাচনে ‘অনিয়মের অভিযোগে’ ভোটবাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে ফলতায় নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে। ২৪ মে হবে সেই ভোটের গণনা। ফলে মোট আসন ২৯৪ থেকে কমে ২৯৩ হয়ে যাওয়ায় সরকার গঠনের জাদুসংখ্যাও একটি কমেছে। সরকার গড়তে হলে আগে পেতে হত ১৪৮টি আসন। এখন পেতে হবে ১৪৭টি।
বিজয় মিছিলে নারাজ কমিশন
এবার বিজয় মিছিল করতে দিতেও নারাজ নির্বাচন কমিশন। কমিশনের মত, জেলাশাসকরা আশঙ্কা করছেন, গণনার দিন কোথাও কোথাও গোলমাল হতে পারে। অতীতেও ফলাফলের দিন বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তাই এবার ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিল না করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চায় কমিশন। রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, এ বিষয়ে পুলিশ যা সুপারিশ করবে, তা মেনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, "ডিইও-দের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন বিজয় মিছিলের রুট এবং কত লোক যাচ্ছে, কী হচ্ছে, কে কে থাকছে, সেটা পুলিশের অনুমতি নিয়ে করলে ভালো হয়। হঠাৎ করে সেন্টিমেন্ট কিছু থাকতে পারে, কিছু লোক ফ্রাস্ট্রেটেড থাকতে পারে, তাতে খারাপ ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ কী সুপারিশ করছে, ডিইও-রা কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তার উপর পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে।"
লোডশেডিং যাতে না হয়
গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিং যাতে না হয়, তার জন্য একাধিকবার এসইডিসিএল এবং সিইএসসি-র সঙ্গে বৈঠকে করেছেন সিইও। জেনারেটরের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। গণনা কর্মীদের মোবাইল নম্বর কোনওভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। নম্বর প্রকাশ পেলেই পদক্ষেপ করা হবে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-দের তা জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী, ভোট গণনাকক্ষের ভিতরে কেবল পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন। এজেন্টরা মোবাইল বা কোনও কাগজপত্র নিয়েও ঢুকতে পারবেন না।
কত কাউন্টিং অবজার্ভার
কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনে ৪৩২ জন কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। থাকছেন পুলিশ পর্যবেক্ষকও। ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে গণনার দিনে। তিনটে স্তরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়ে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের বিতর্কিত ৬০টি বুথের ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড পোলিং অফিসার এবং প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও অবজার্ভার-মোট ২৪২ জনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।
আটটা থেকে শুরু গণনা
সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনের গণনা। ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে হবে রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভার গণনা। তার আগে এদিন সিইও মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় গণনার প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেন সমস্ত অবজার্ভার, ডিইও, আরও-দের সঙ্গে। কমিশন সূত্রে খবর, গণনার কাজে কোনও ইচ্ছাকৃত ভুল বা গাফিলতি হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে সরকারি কর্মীদের।
নিবেদিত


