শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: নির্মাণ শ্রমিকের কাজে এসে নাবালিকাকে অপহরণের ছক। তবে অপহরণ করেও শেষরক্ষা হল না। পরিবার প্রতিবেশীদের তৎপরতায় অপহরণের চার ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার ওই ছাত্রী। ঘটনার পরই গ্রেপ্তার পাঁচ ঠিকা শ্রমিক-সহ অপহরণের মাস্টারমাইন্ড। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি শহরের আনন্দপাড়া এলাকায়। ধৃতদের মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।
[যশোর রোডে তেলের ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুনে মৃত্যু একজনের, চাঞ্চল্য দত্তপুকুরে]
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার বিকেলে নাচের ক্লাসে গিয়েছিল সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭.৩০ নাগাদ সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। তবে সে বাড়ি ফেরেনি। রাত হয়ে গেলে মেয়ে বাড়ি না ফেরায় চিন্তিত পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পাড়া প্রতিবেশীরাও শামিল হন। অনেক খোঁজখবরের পর আনন্দপাড়া এলাকা লাগোয়া জঙ্গল থেকে হাত, পা, মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। কাছেই চলছে পুরসভার জলাধার নির্মাণের কাজ। মালদহ থেকে ঠিকা শ্রমিকরা এসে সেই নির্মাণের কাজ করছে। এদিকে মুখের বাঁধন আলগা হতেই নাবালিকা সমস্ত ঘটনা বলতে শুরু করে। ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ ঠিকা শ্রমিককে ঘিরে করে। অভিযুক্তদের ধরে গণপিটুনি দেওয়া হয়। খবর যায় পুলিশে। রাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানার পুলিশ। সকালে গ্রেপ্তার করা হয় এই অপহরণের মাস্টারমাইন্ড মহম্মদ সৌরভকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছে নাবালিকার পরিবার।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাতে নাবালিকাকে অপহরণের পর জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখলেও অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের। অপহৃত নাবালিকাকে রাতেই হয়তো শহরের বাইরে পাচার করা হত। অথবা কোনও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে যেতে পারত। তবে তার আগেই বাসিন্দাদের প্রচেষ্টায় উদ্ধার হয়েছে ছাত্রী। গোটা ঘটনায় জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
[প্রতিবন্ধী ছেলের ইচ্ছেপূরণে বাবা, ব্রাজিলের তাঁবুর আদলে সাজল গোটা বাড়ি]
সর্বশেষ খবর
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের
-
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের