Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

পরকীয়ার ‘শাস্তি’, পাথরপ্রতিমায় যুগলের মাথা নেড়া করলেন স্থানীয়রা

যুগলকে মারধরেরও অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ২৩:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ২৩:০৫

options
link
পরকীয়ার ‘শাস্তি’, পাথরপ্রতিমায় যুগলের মাথা নেড়া করলেন স্থানীয়রা zoom
Advertisement

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ডহারবার: পরকীয়া সন্দেহে এক মহিলা ও এক ব্যক্তিকে মারধর করলেন গ্রামের মানুষ। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমার মধুসূদনপুরে। ওই দু’জনের মাথা নেড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এলাকার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পাথরপ্রতিমার দক্ষিণ গঙ্গাধরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধুসূদনপুরে বছর পঁয়ত্রিশের ওই ব্যক্তির সঙ্গে ৪৫ বছরের এক মহিলার দীর্ঘদিন ধরে মেলামেশা ছিল। দু’জনেরই ছেলে মেয়ে রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কারও আবার বিয়েও হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও দু’জনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বলে বাসিন্দারা জানান। দু’জনের পরিবারের লোকজন ও এলাকার মানুষ কোনওভাবেই দু’জনের এই অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। শুক্রবার দুপুরে ওই মহিলার বাড়িতে কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি মহিলার বাড়িতে আসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই তা দেখে ফেলেন। দু’জনকেই বেসামাল অবস্থায় তাঁরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে বাসিন্দাদের দাবি।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ৪ বছর ধরে আদিবাসী নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, কাঠগড়ায় তৃণমূল উপপ্রধান ]

এদিকে ধরা পড়ার পর বাসিন্দাদের অনেকেই ওই ব্যক্তি ও মহিলাকে প্রচণ্ড মারধর করেন বলে অভিযোগ। মাথা নেড়া করে দেওয়া হয় দু’জনেরই। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় পুলিশ। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। এদিকে গ্রামবাসীদের কেউ কেউ শাস্তি হিসেবে ওই মহিলা ও ব্যক্তিকে মারধর ও মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার শাস্তির বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মতে, দু’জনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াই সঠিক কাজ হত। কয়েকজন মিলে যেভাবে নিজেদের হাতে আইন তুলে নিয়েছে তা সমর্থন করা যায় না। এদিকে দু’জনকে মারধর ও মাথা নেড়া করে দেওয়ার অভিযোগে এদিন সন্ধ্যায় পুলিশ এক গ্রামবাসীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় পুলিশের গাড়ি আটকে তাকে গ্রামবাসীরা নামিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ অবশ্য গোটা ঘটনায় মুখ খুলতে রাজি হয়নি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: মাথাব্যথা বাড়াচ্ছে কো-মর্বিডিটি, কোভিড হাসপাতালগুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.