Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

পুরভোটের প্রচারে লকেটহীন বিজেপি, গুঞ্জন বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে

দলের ভারচুয়াল বৈঠকেও দেখা যাচ্ছে না লকেট চট্টোপাধ্যায়কে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২, ১৭:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২, ১৭:০২

options
link
পুরভোটের প্রচারে লকেটহীন বিজেপি, গুঞ্জন বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বাংলায় আসন্ন ১০৮টি পুরসভা ভোটের প্রচারও লকেটহীনই থাকছে। উত্তরাখণ্ডের ভোট শেষ হলেও রাজ্যে নেই লকেট চট্টোপাধ্যায়। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হুগলিতে একাধিক পুরসভায় ভোট রয়েছে। হুগলিতে দলীয় কোনও কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা যাচ্ছে না। তা উসকে নিয়ে জল্পনা।

লকেট বঙ্গ বিজেপির জনপ্রিয় নেত্রী। বিভিন্ন সময়ে তারকা প্রচারকদের তালিকার তিনি নক্ষত্র। অথচ বাংলার পুরভোটের প্রচারে লকেট নেই। শুধু তাই নয়, তাঁর কেন্দ্র হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ভদ্রেশ্বর হুগলি-চুঁচুড়া ও বাঁশবেড়িয়া-এই তিনটি পুরসভার ভোট রয়েছে। সেখানেও প্রচারে দেখা যাচ্ছে না লকেট চট্টোপাধ্যায়কে (Locket Chatterjee)। তার চেয়েও বড় বিষয়, রাজ্য নেতৃত্ব সপ্তাহে যে ‘জুম’ বৈঠক করেন সেখানেও থাকছেন না এই বিজেপি নেত্রী। সবমিলিয়ে বাংলায় দলের কর্মসূচিতে লকেটের এই অনুপস্থিতি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নদীর গ্রাসে চাষের জমি, ভাঙন রুখতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার]

দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে তৎকাল বিজেপির এক সাধারণ সম্পাদক লকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে রাজ্যে দলের ভোট প্রচারে আসার কথা বলেছিলেন। কিন্তু হুগলির সাংসদ আসেননি। বাংলায় এতদিন কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি লকেটকে। তিনি ব্যস্ত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের নির্বাচন নিয়ে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উত্তরাখণ্ডের প্রচারে তাঁকে গুরু দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু তা বলে একেবারে বাংলা থেকে উধাও কেন তিনি? দলের একটি সূত্র বলছে, রাজ্য বিজেপি যেভাবে চলছে তাতে তিনি হতাশ এবং বিরক্তও বটে। ভবানীপুরের প্রার্থী বাছাইতে দ্বিমত ছিল লকেটের। কলকাতা পুরভোটের প্রচার যখন তুঙ্গে থাকার কথা, তখন হঠাৎ সিঙ্গুরে গিয়ে বসে থাকার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন নেতারা, সেটা লকেটের কাছে স্পষ্ট নয়। রাজ্যেও লকেটকে যথাযথ কোনও কাজ দেওয়া হয়নি। সম্ভবত সেই কারণেই নিজের মতো করে উত্তরাখণ্ডে দলের কাজ করেছেন লকেট। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের ভোট শেষের পরেও বাংলায় তিনি নেই। পুরভোটের প্রচারে যখন দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার থেকে শুরু করে দেবশ্রী চৌধুরি, ডাঃ সুভাষ সরকার, সৌমিত্র খাঁর মতো সাংসদরা রয়েছেন। তখন অন্যতম জনপ্রিয় সাংসদ লকেটের দেখা নেই।

আসলে বঙ্গ বিজেপিতে বিক্ষোভ-বিদ্রোহ চলছে। দলের আদি নেতাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বিরক্ত লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি মনে করেন বঙ্গ বিজেপিতে আদি নেতাদের স্বীকৃতি দরকার। হুগলির সাংসদ বাংলায় দলের পুরনো নেতাদের পক্ষেই রয়েছেন বলে খবর। বঙ্গ বিজেপির বিক্ষুব্ধ শিবিরের দুই মুখ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও প্রাক্তন রাজ্য সহ-সভাপতি রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গে আলাদা বৈঠকও করেছেন লকেট। তবে দলের আদি নেতারা এমনও দাবি করেছেন, হুগলিতে পুরভোটের দায়িত্ব লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজ্য বিজেপির বর্তমান নেতারা কেন দায়িত্ব দিলেন না। রাজ্য বিজেপির ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী কী দলের অন্যতম এই সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কতটা সদিচ্ছার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? পুরভোটে হুগলির ইনচার্জ করা হয়েছে বামফ্রন্ট থেকে আসা বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক এবং দলের যুব নেতা প্রকাশ দাসকে। তাঁরা কতটা দায়িত্ব সামলাতে পারবেন তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘ছেলেটি মুসলিম বলে এত রাজনীতি’, আনিস খান হত্যাকাণ্ডে বিতর্কিত মন্তব্য দিলীপের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.