Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Maldah

তৃণমূল নাকি বিজেপি কর্মী? ভোটমুখী মালদহে নিহত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তরজা

ওই যুবককে কে বা কারা খুন করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৪, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৪, ১৯:০৪

options
link
তৃণমূল নাকি বিজেপি কর্মী? ভোটমুখী মালদহে নিহত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তরজা zoom
স্বজনহারা পরিবার। নিজস্ব চিত্র

বাবুল হক, মালদহ: ভোটমুখী বাংলায় মালদহে রহস্যমৃত্যু যুবকের। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলেই অভিযোগ। ওই যুবককে কে বা কারা খুন করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নিহত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে চলছে শাসক-বিরোধী জোর দড়ি টানাটানি।

মৃত তাপস দাস, মালদহের সাহাপুর ছাতিয়ান মোড়ের বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, রবিবার রাতে বেশ কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তাঁকে। রাতভর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে রাস্তা থেকে ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাপসকে খুন করা হয়েছে। খবর পেয়ে মালদহ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখান তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জয়ের মাঝে কাঁটা! চেন্নাইকে হারিয়েও কড়া শাস্তির মুখে ঋষভ]

এদিকে, নিহত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মৃত তাপস দাস তৃণমূল নাকি বিজেপি কর্মী তা নিয়ে চলছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। মালদহ উত্তরের বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি, মৃত তাপস দাস বিজেপি সমর্থক। অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের দাবি, ওই যুবক সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। যদিও তাপসের পরিবারের দাবি, তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন।

[আরও পড়ুন: ‘আবাসের ঘর পেলে এত ক্ষতি হত না’, দুর্যোগে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে ‘তোপ’ অভিষেকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.