Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
লুচি আটকে মৃত্যু

সাধের লুচিই কাড়ল প্রাণ, টিফিন খেতে গিয়ে বনগাঁয় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু ব্যক্তির

কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১৮:০৩

options
link
সাধের লুচিই কাড়ল প্রাণ, টিফিন খেতে গিয়ে বনগাঁয় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু ব্যক্তির zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: কাজ সেরে ফিরে পছন্দের লুচি-তরকারি সাজিয়ে খেতে বসেছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু সেই খাবারই কেড়ে নিল প্রাণ। লুচি গলায় আটকে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম সুভাষ মিত্র। এক লহমায় পালটে গেল গোটা পরিবেশ। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানা এলাকার খয়রামারি এলাকায়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়।

[আরও পড়ুন: বাইসনের শিং ফুটো করল হৃৎপিণ্ড, জেলা হাসপাতালের জটিল অস্ত্রোপচারে বৃদ্ধার প্রাণরক্ষা]

জানা গিয়েছে, সুভাষ মিত্র নামে বছর পঁয়তাল্লিশের ওই ব্যক্তি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর খয়রামারি এলাকার বাসিন্দা। অন্যান্যদিনের মতোই শনিবার সকালে কাজে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর বেলার দিকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরে খেতে বসেন তিনি। সেই সময় আচমকাই লুচি গলায় আটকে যায় তাঁর। লুচির টুকরো শ্বাসনালীতে আটকে যাওয়ায় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড় হয় সুভাষবাবুর। ঘরোয়া টোটকায় কাজ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি তাঁকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আকস্মাৎ এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছে ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মিত্র পরিবারের সদস্যরা। সুভাষবাবুর এক আত্মীয় জানান, অন্যান্যদিনের মতোই এদিন সকালে কাজে গিয়েছিলেন সুভাষবাবু। ফিরে খেতে বসেন। সকলের সামনেই বসে খাচ্ছিলেন। হঠাৎ গলায় লুচি আটকে যায়। জল খাওয়ানো হয়। কিন্তু কিছুতেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা ঠিক হচ্ছিল না। সেই কারণেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ছুটে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা করা গেল না। সব শেষ হয়ে গেল।  কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ওই ব্যক্তির মা, কিছু বলার মতো পরিস্থিতিতেই নেই। খেতে বসে চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। তাঁর আফশোস ছেলেটাকে বাঁচানোর জন্য কার্যত কিছুই করতে পারলেন না তিনি। শোকস্তব্ধ এলাকার বাসিন্দারাও।

[আরও পড়ুন:তৃণমূল বিরোধিতায় বাঙালিকে চোর-চিটিংবাজ বলে অপমান দিলীপের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.