Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Maa Canteen

দুয়ারে মা ক্যান্টিন! জলমগ্ন এলাকায় বিনামূল্যে দুর্গতদের পাতে গরম ভাত-ডাল-ডিম

বনগাঁয় অভিনব উদ্যোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪, ২১:৩৮

options
link
দুয়ারে মা ক্যান্টিন! জলমগ্ন এলাকায় বিনামূল্যে দুর্গতদের পাতে গরম ভাত-ডাল-ডিম zoom
জলমগ্ন এলাকায় বিনামূল্যে দুর্গতদের পাতে গরম ডাল-ভাত-ডিম। নিজস্ব চিত্র।

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বন্যা কবলিত এলাকার ত্রাণ শিবিরে রান্না করা খাবার নিয়ে পৌঁছে গেল ভ্রাম্যমান ‘মা ক্যান্টিন’। চরম বিপদের দিনে বিনামূল্যে ডাল-ভাত-ডিম-সবজি খেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বনগাঁ পুরসভাকে ধন্যবাদ জানালেন কয়েক হাজার দুর্গত মানুষ।

জোড়া নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বনগাঁ পুরসভার একাধিক ওয়ার্ড। ঘরে জল ঢুকে যাওয়ায় পুরসভার ৭, ১৫ ,২০ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড-সহ একাধিক নিচু এলাকার বহু পরিবার ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। অনেক পরিবারে জলবন্দি অবস্থায় বাড়িতে রয়েছে। এবার সেই সমস্ত দুর্গত মানুষের জন্য মা ক্যান্টিনের মাধ্যমে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করল বনগাঁ পুরসভা।

Advertisement

শনিবার দুপুরে এই ভ্রাম্যমান মা ক্যান্টিনের উদ্বোধন করেন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ নম্বর ওয়ার্ড রেল কলোনি দীনবন্ধু নগর-সহ একাধিক এলাকার প্রায় ২ হাজার ৪০০-র বেশি মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছে। তাঁদের ভ্রাম্যমান মা ক্যান্টিনের মাধ্যমে দুবেলা খাবার পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়েছে। খাবারের মেনুতে থাকছে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিমের ঝোল।

পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, “গরিব মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী চালু করা মা ক্যান্টিন নিয়ে আমরা বন্যা দুর্গত গরিব মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছি | দুটি ভ্রাম্যমান মা ক্যান্টিন দুর্গত এলাকায় ঘুরবে। যতদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন পর্যন্ত এই ক্যান্টিন চলবে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হচ্ছে।” বনগাঁ ঢাকা পাড়া এলাকার এক বৃদ্ধর কথায়, “ত্রাণ শিবিরে আছি কাজ নেই। ত্রাণের সামগ্রী পেলেও রান্না করার চিন্তা ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর মা ক্যান্টিন এলাকায় এসে খাবার দিচ্ছে দুবেলা। অনেকটাই চিন্তা মুক্ত হলাম।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.