ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: হিন্দি সিনেমার কায়দায় টাকা হাতাতে গিয়ে ধরা পড়ল দশম শ্রেণির এক ছাত্র। বুধবার যে মাধ্যমিকের রেজাল্ট তা জানতই না উত্তর ২৪ পরগনার রুদ্রপুর স্কুলের গুণধর আসিফ বিল্লা (১৬)। আর সকল পরীক্ষার্থীরা যখন রেজাল্ট জানার জন্য উৎসুক বাদুড়িয়ার আসিফ তখন ব্যস্ত ছিল টাকা হাতাতে। তাও সে সামান্য দু’দশ টাকা নয়। রীতিমতো ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। পরিকল্পনায় তার সহকারী ছিল আরও এক স্কুল পড়ুয়া। সপ্তম শ্রেণির হাজিরুল মণ্ডল (১৪)।
[মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল, দায়িত্ব কমানো হল শোভনের]
জেরায় আসিফ জানিয়েছে, হিন্দি সিনেমা দেখেই টাকা হাতানোর পরিকল্পনা করে সে আর তার খুদে বন্ধু। সেইমতো টার্গেট করা হয় এলাকার ব্যবসায়ী নাজমুল আলমকে। দেগঙ্গার রানিহাটির নাজমুলের বিল্ডার্সের ব্যবসা। বাদুড়িয়া বাগজোলা বাজারের কাছেই তাঁর দোকান। ২ জুন প্রথম নাজমুলকে ফোন করে আসিফ। ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। কী বলা হয়েছিল হুমকি ফোনে? নাজমুল জানিয়েছে, “অচেনা এক নম্বর থেকে ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। বলা হয় টাকা না দিলে প্রাণে মেরে দেওয়া হবে।”
সেই প্রথম, এরপর প্রায়শই এই হুমকি ফোন আসতে থাকে। ভয় পেয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাজমুল। দেগঙ্গার পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ বুঝতে পারে, একটি নম্বর থেকেই ফোন আসছে নাজমুলের ফোনে। যে কায়দায় টাকা চাওয়া হচ্ছে তা কোনও কাঁচা কাজ বলেও বুঝতে পারে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে নাজমুলকে জানানো হয়, “টাকা দিতে রাজি হয়ে যান। বাকিটা আমরা বুঝে নেব।”
পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই নম্বরে ফোন করে নাজমুল বলে বুধবার তার দোকানের সামনে এলেই টাকা মিলবে। টাকা রাখা থাকবে একটি লাল ব্যাগে। একটি ব্যাগে পিচবোর্ডের টুকরো আর বাতিল কাগজ ভরে বুধবার রাখা হয় বাদুড়িয়া বাগজোলা বাজারে নাজমুলের দোকানের সামনে। ছদ্মবেশে আশপাশেই লুকিয়ে ছিল অগুন্তি পুলিশ। টাকা নিতে এলেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় হাজিরুল আর আসিফ।
[গার্ড ক্যাবে যাতায়াত রেলকর্মীদের, নিরাপত্তা ইস্যুতে নীরব রেল]
সর্বশেষ খবর
-
রোজ ইনসুলিনের ঝামেলা শেষ! কীভাবে কাজ করবে বিশ্বের প্রথম সাপ্তাহিক ইনসুলিন?
-
বিশ্বকাপের ক্ষত না শুকোতেই ইঙ্গিতবাহী পোস্ট! রোনাল্ডোর মন্তব্যে দ্বিধাবিভক্ত নেটপাড়া
-
জীবিত ব্যক্তির পাঁজর ভেঙে ‘ডানা’! সত্যিই কি নিষ্ঠুরতা আর ভাইকিং ছিল সমার্থক?
-
অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যার ছক পাকিস্তানের! বিদ্রোহ দমনে আরও ৪০০০ সেনা, ৭ রেঞ্জার্স উইং
-
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে টানা ১৪ দিন অনশন, অসুস্থ সোনম ওয়াংচুক বলছেন, ‘আমি গান্ধী নই’