Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

সূত্র মোবাইল টাওয়ার, ছত্তিশগড় থেকে গ্রেপ্তার তৃণমূল যুব নেতা খুনে মূল অভিযুক্ত

মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে অপরাধীর খোঁজ মিলল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ১৬:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ১৬:০২

options
link
সূত্র মোবাইল টাওয়ার, ছত্তিশগড় থেকে গ্রেপ্তার তৃণমূল যুব নেতা খুনে মূল অভিযুক্ত zoom
Advertisement

সুবীর দাস, কল্যাণী: সপ্তাহখানেকের মাথায় ধরা পড়ল চাকদার যুব তৃণমূল নেতা খুনের মূল অভিযুক্ত। ২৮ ফেব্রুয়ারি ভরদুপুরে বাড়ির সামনেই খুন হয়েছিলেন সুধীন সোম নামে ওই নেতা। তিনি চাকদহের যুব তৃণমূলের সভাপতি। ঘটনার তদন্তে নামে চাকদহ থানার পুলিশ। খোঁজ শুরু হয় অভিযুক্তদের। পুলিশ সূত্রে খবর, শুভঙ্কর মজুমদার নামে মূল অভিযুক্তের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে চাকদহ থানার পুলিশ পৌঁছে যায় ছত্তিশগড়ে। সেখান থেকেই ধরা পড়ে শুভঙ্কর মজুমদার। শুক্রবার তাকে ছত্তিশগড়ের আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডে রাতে রাজ্যে আনা হয়। শনিবার কল্যাণী আদালতে তোলা হয়েছে।

[জোট নিয়ে জটিলতার মধ্যেই মালদহে পিছোল রাহুল গান্ধীর সভা]

চাকদহ পুর এলাকার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের যুব সভাপতি ছিলেন সুধীন সোম। ৫২ নম্বর রেলগেটের কাছে তাঁর বাড়ি। পরিবার সূত্রে খবর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সুধীনবাবুকে ডেকে নিয়ে যান কয়েকজন। বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই যুব সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। গুরুত্র আহত, রক্তাক্ত অবস্থায় সুধীনকে রাস্তায় ফেলে রেখেই তারা চম্পট দেয়। ভরদুপুরের রাস্তাঘাট শুনশান ছিল। তাই প্রথমে এই ঘটনা কারও নজরে আসেনি। ঘটনার পরও বেশ কিছুক্ষণ ওই অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে ছিলেন শাসকদলের যুব সভাপতি। কিছুক্ষণ পর তাঁকে উদ্ধার করে চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানো মাত্রই সুধীন সোমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎকরা।

Advertisement

[সম্পর্কে আপত্তি পরিবারের, রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা যুগলের]

ঘটনার তদন্তে নামে চাকদহ থানার পুলিশ। মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে শুভঙ্কর মজুমদারের নাম। তার সন্ধান শুরু করেন তদন্তকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে এই শুভঙ্করের নাম রয়েছে পুলিশের খাতায়। একাধিক অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু পুলিশের ডালে ধরা পড়ছিল না। এবার অভিযুক্তকে ধরতে মোবাইল ট্র্যাকিং শুরু করে পুলিশ। বোঝা যায়, ছত্তিশগড়ের যশপুর অঞ্চলে রয়েছে শুভঙ্কর। বৃহস্পতিবার রাতে যশপুর থেকে চাকদা থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে, ছত্তিশগড় পুলিশের সহযোগিতায়। ট্রানজিট রিমান্ডে রাজ্যে আনার পর কল্যাণী আদালতে পেশ করে তাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ। কী কারণে খুন, আগেকার কোনও শত্রুতা ছিল কি না, এই চক্রে আরও কারা জড়িত– এসব জানতে চায় পুলিশ। এর আগে সরস্বতী পুজোর আগের দিন অনুষ্ঠান মঞ্চে গুলিবিদ্ধ খুন হয়ে যান কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। তার তদন্ত চলছে। কটা দিন কাটতে না কাটতেই ফের যুব সভাপতি খুনের ঘটনায় ওই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। পরপর দুটি খুনের ঘটনায় তাঁরা আতঙ্কিত।   

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.