Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Malda

শুনানির সকালেই মৃত্যু মালদহের প্রৌঢ়ের! এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করছে পরিবার

মঙ্গলবার ভোরের দিকে বাড়িতেই হঠাৎ করে অসুস্থ হন তিনি। এরপরে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআরের দিকেই আঙুল তুলেছে পরিবার।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৬:৪৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৬:৪৭

options
link
শুনানির সকালেই মৃত্যু মালদহের প্রৌঢ়ের! এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করছে পরিবার zoom
প্রতীকী ছবি

ফের মালদায়(Malda) এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। মালদার মানিকচকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছ। এই ঘটনায় এক প্রৌঢ়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, মৃত প্রৌঢ়ের নাম শেখ সরিফুল। তাঁর বয়স ৫৫ বছর। এই প্রৌঢ়ের বাড়ি মানিকচক ব্লকের নুরপুর অঞ্চলের নিচুর তিওড়পাড়া এলাকায়।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরের দিকে বাড়িতেই হঠাৎ করে অসুস্থ হন তিনি। এরপরে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআরের (SIR in West Bengal) দিকেই আঙুল তুলেছে পরিবার। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআর-এর আতঙ্কেই মৃত্যু হয়েছে ওই প্রৌঢ়ের।

Advertisement

মৃতের এক ছেলে এবং এক আত্মীয় অভিযোগ করেন, মৃত শেখ সরিফুলের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল। কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণেই তাঁর দুই ছেলে এসআইআর-এর হিয়ারিং (SIR Hearing)-এর নোটিশ পেয়েছেন। তাঁর নামের গরমিলের কারণে দুই ছেলে নোটিশ পাওয়ার পর থেকেই তিনি আতঙ্কে ভুগছিলেন। ছেলেদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা করছিলেন। মঙ্গলবার দুই ছেলের হিয়ারিং-এর দিন ছিল। কিন্তু হিয়ারিং-এর আগেই ভোররাতে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান। তাই এই মৃত্যুর ঘটনায় মৃতের পরিবার এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ তুলে সরব হন।

অন্যদিকে, শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অটিয়াবাড়ি ২৪৯ নং বুথে এসআইঅরের নোটিশ পেয়েই আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। জমিতে দেওয়ার বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। ৩০ বছরের বুলু মিয়া বর্তমানে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এসআইআর শুনানির জন্য তাদের পরিবারে দুই ভাই দুলু মিয়া এবং বুলু মিয়ার নামে নোটিশ এসেছে। নাম বিভ্রাটের জেরে নোটিশ আসে বলে জানা গেছে। এতেই তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরপরেই সে বিষপান করে বলে অভিযোগ।

এছাড়াও, এসআইআরে তালিকায় নাম না থাকায়, আতঙ্কে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। দিনহাটা দুই ব্লকের নাজিরহাটের শিকারপুরের ৭/২১ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ব্যক্তির নাম বেলাল মিয়া। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে এসআইআরে (SIR in West Bengal) নাম না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বেলালের।

এসআইআর শুরু পর থেকেই বাংলায় একেরপর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে বাংলার শাসকদল। মুখ খুলেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি বাংলায় হিন্দুদের সব থেকে বড় শত্রু। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হিন্দুরা। লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেনসিতে সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের নাম এসেছে।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাদের চোখে হিন্দু হল উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, বিহারের লোক। যারা জয় শ্রী রাম বলে তারাই নাকি হিন্দু। যারা কালীপুজো করে, আমরা শিবের পুজো করি, জগন্নাথের ভক্ত। সনাতনী ধর্ম তো আমরাই পালন করছি। আর বিজেপি হিন্দুদের মধ্যে ভাগ করে। ওরা বাঙালী পছন্দ করে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.