Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

মালদহে উদ্ধার নাবালিকার নগ্ন-রক্তাক্ত দেহ, আশঙ্কা গণধর্ষণের

বিয়েবাড়িতে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে, অভিযোগ পরিবারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০১৮, ১৮:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০১৮, ১৮:৫২

options
link
মালদহে উদ্ধার নাবালিকার নগ্ন-রক্তাক্ত দেহ, আশঙ্কা গণধর্ষণের zoom
প্রতীকী ছবি।

বাবুল হক, মালদহ:  মাচার তলা থেকে নাবালিকার রক্তাক্ত নগ্নদেহ উদ্ধার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদহে। ঘটনাস্থল চাঁচোল থানার মধুবনা গ্রাম। রবিবার সকালে গ্রামেরই একটি মাচার তলা থেকে উদ্ধার হয়েছে নাবালিকার রক্তাক্ত নগ্ন মৃতদেহ। গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে।এই অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবার। একই মত প্রতিবেশীদেরও। এদিকে সাত সকালে কাঠের মাচার তলা থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই চাঁচোল থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশে এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

[রাষ্ট্রপতি ভবনে জাতীয় পুরস্কার নিলেন নাগরাকাটার নার্স সোনালী সামন্ত]

জানা গিয়েছে, মৃত সুরমা দাসের (নাম পরিবর্তিত) বয়স ১২ বছর। শনিবার পাড়ারই একটি বিয়েবাড়িতে আমন্ত্রিত ছিল তার গোটা পরিবার। মায়ের সঙ্গে সেও যায় বিয়েবাড়িতে। মা খেয়েদেয়ে ফিরে এলেও বন্ধুদের সঙ্গে বিয়ে দেখবে বলে সে বাড়িতেই থেকে যায় সুরমা। পাড়ার পরিচিতর বিয়ে বলে মা-ও আপত্তি করেননি। এদিকে রাত বাড়লেও মেয়ে না ফেরায় শুরু হয় খোঁজখবর। কিন্তু রাতভর সুরমার কোনও খোঁজ পায়নি তার পরিবার। সকালে প্রতিবেশীরা দেখেন বিয়েবাড়ির ৫০ মিটার দূরত্বে থাকা এক মাচার তলায় পড়ে আছ নগ্ন দেহ। উপুড় থাকা অবস্থায় দেহটি দেখে প্রথমে কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। দেহটি সোজা করতেই সকলে সুরমাকে চিনতে পারে। তার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। খবর যায় পুলিশেও। তখনও মৃতদেহের মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বিনা চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে উত্তাল উলুবেড়িয়া হাসপাতাল, দেখুন ভিডিও]

পরিবারের অভিযোগ, সুরমাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। প্রতিবেশীদেরও তেমনটাই দাবি। বিয়েবাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে গিয়েই এই নারকীয় কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তবে একজনের পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। কেন না গোটা বিয়েবাড়িতে লোকজনের অভাব ছিল না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান পরিচিতরাই মেয়েটিকে কোনওরকমে বাড়ির বাইরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য নাবালিকাকে খুন করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বোঝা যাবে গণধর্ষণ হয়েছে কি না। সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের কোনওভাবে রেহাই দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে গোটা ঘটনায় একাধিক জনের জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। স্থানীয়রা জানিয়েছে, সুরমার বাবা পেশায় দিনমজুর। তার একটি ভাইও রয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। চাঁচোল মহকুমার এসডিপিও সজলকান্তি বিশ্বাস বলেন,  “পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মেয়েটিকে যে বা যারা খুন করে থাকুক তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। ধর্ষণ হয়েছে কি না তা ময়নাতদন্তের আগে বলা সম্ভব নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.