Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরাক্কা ব্রিজ

হুড়মুড়িয়ে ভাঙল নির্মীয়মাণ ফরাক্কা ব্রিজের একাংশ, মৃত্যু ২ শ্রমিকের

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ২১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ২১:২২

options
link
হুড়মুড়িয়ে ভাঙল নির্মীয়মাণ ফরাক্কা ব্রিজের একাংশ, মৃত্যু ২ শ্রমিকের zoom
Advertisement

বাবুল হক, মালদহ: নির্মীয়মাণ ফরাক্কা ব্রিজের গার্ডার ভেঙে বড়সড় দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। গুরুতর জখম পাঁচজন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আহতদের প্রত্যেককেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বৈষ্ণবনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। 

রবিবার সন্ধেয় ফরাক্কা ব্রিজের কাজ চলছিল। কাজ করছিলেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ ওই ব্রিজের একটি গার্ডার। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান বেশ কয়েকজন শ্রমিক। তড়িঘড়ি শুরু হয় উদ্ধারকাজ। প্রথম পর্যায়ে মোট সাতজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। ওই হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন পাঁচজন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে প্রায় সকলেরই অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দিদির কথা মনে পড়ল না ভাইয়ের’, কেজরির শপথ নিয়ে মমতাকে খোঁচা দিলীপের]

খবর পাওয়ামাত্রই বৈষ্ণবনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। অন্ধকার হওয়ায় উদ্ধারকাজ বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৈরির সময়েই কীভাবে ব্রিজের গার্ডার ভেঙে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দক্ষিণ ভারতীয় এক সংস্থা এই ব্রিজ নির্মাণের বরাদ নিয়েছে। যে ঠিকাদার সংস্থা এই ব্রিজ নির্মাণের কাজ করেছে তাদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.