সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার সংস্কৃতিকে কেউ ধ্বংস করতে চাইলে প্রয়োজনে জীবন দেব, কিন্তু বাংলার কোনও ক্ষতি হতে দেব না। উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ার বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনের সভা থেকে বিদ্যাসাগর কলেজের ঘটনা প্রসঙ্গে এভাবেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এনে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙচুর করেছে বিজেপি। কারণ, বাঙালি কোনওদিন বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙতে পারে না। তাঁরা জানে বাংলার সংস্কৃতিতে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা কতটা।
[আরও পড়ুন: কঠিন পথের শেষে মিলল সাফল্য, বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায় ৪ তরুণ বাঙালি]
ছ’দফা ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে৷ সপ্তম দফায় দমদম লোকসভা কেন্দ্রে ভোট৷ তার আগে হাইভোল্টেজ প্রচারে ব্যস্ত শাসক-বিরোধী সকলেই৷ লোকসভা নির্বাচন এবার কার্যত গেরুয়া শিবিরের বাংলায় অস্তিত্ব প্রমাণ করার লড়াই৷ তাই প্রচারের জন্য বারবারই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ পালটা প্রচার চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীও। বুধবার দমদম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে আগরপাড়ার বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিদ্যাসাগরের মুর্তি ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে সভাস্থল থেকে মোদিকে এক হাত নেন তিনি।
সভামঞ্চ থেকে ঘটনার ফুটেজ সকলের সামনে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি বাংলার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে চাইছে। বিদ্যাসাগর, নেতাজি, গান্ধীজি, বিবেকানন্দের বাংলাকে অপমান করছে। এসব আমরা মানব না। বাংলার স্বার্থে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দেব। কিন্তু কোনওভাবেই অন্য রাজ্যের লোকেদের হাতে বাংলাকে ধ্বংস হতে দেব না।” তিনি বলেন, সিপিএম এতদিন বাংলার ঐতিহ্য নষ্ট করেছে। এখন বাম-রাম মিলে একই কাজ করছে। পাশাপাশি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে আক্রমণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অমিত শাহের কোনও গুরুত্বই নেই আমাদের কাছে। তাই তাঁকে আক্রমণের কোনও প্রশ্নই নেই। মোদিজি মিথ্যে কথা বলছেন।”
[আরও পড়ুন: ‘দুর্গাপুজো সময়ে হবে, প্রয়োজন হলে মহরম পিছিয়ে দিন’, বেফাঁস মন্তব্যে বিতর্কে যোগী]
পাশপাশি, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোটা টাকার বিনিময়ে ভোট কিনছে বিজেপি। কিন্তু আমরা কেনাবেচার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আর এই বাংলায় কাউকে তা করতেও দেব না। মোদিজি যদি ভাবেন এই ভাবে ভোটে জিতবেন তা কোনও দিন সম্ভব নয়। আপনি বিগত পাঁচ বছরে কী কী করেছে তা সবাই জানে।” মূল্যবৃদ্ধি, কৃষক আত্মহত্যা, আচ্ছে দিন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া সব কিছুকে ভাওতা বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এদিনের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমকেও ভয় দেখানো হচ্ছে, তাই তাঁরা অনেক কিছু দেখাচ্ছে। কিন্তু সবাই জানে কোথায় কি হবে। বাংলাই দিল্লির সরকার গড়বে ২০১৯-এ।
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার