Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

সংঘের কার্ডই দাগিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশি বলে! সিএএ ‘প্রতারণা’ মতুয়াদের সতর্ক করলেন মমতা

মমতা আরও বলেন, "পরিষ্কার বলছি ভয় পাবেন না, আতঙ্কিত হবেন না।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৭:২২

options
link
সংঘের কার্ডই দাগিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশি বলে! সিএএ ‘প্রতারণা’ মতুয়াদের সতর্ক করলেন মমতা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে ধর্মীয় কার্ড দিয়ে প্রতারণা হচ্ছে! সংঘের কার্ডেই দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশি বলে। টাকার বিনিময়ে মহাসংঘের তরফ থেকে দেওয়া কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার বনগাঁ থেকে মতুয়াদের সতর্ক করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

মমতা জানান, ১০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া মতুয়া কার্ডে দিয়ে বলা হচ্ছে, এটা দেখালেই ভোটার তালিকায় নাম উঠবে! তাঁর প্রশ্ন, ‘ইলেকশন কমিশন কি এই কথা বলেছে? আগে কথাটা লিখতে বলুন। প্রতারণা করছে আপনাদের সঙ্গে।’ রামকৃষ্ণ মিশনও কার্ড দেয়, কিন্তু কোন দেশের নাগরিক তা ওরা লেখে না বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি আরও জানিয়েছেন, “২০০২ সালের তালিকা ধরে এসআইআর হচ্ছে, কার্ড পাচ্ছেন ২০২৫ সালের নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসে। যেখানে আপনাকে বাংলাদেশি বলা হচ্ছে।”

Advertisement

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু থেকে মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকে একটি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ১০০ টাকার বিনিময়ে তা পাওয়া যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই শংসাপত্রের ফর্ম পড়ে বলেন, “ফর্মে লেখা আপনি বাংলাদেশি ছিলেন। মানে ২০২৫ সালে যখন সার্টিফিকেট পাচ্ছেন, তখন আপনাকে বাংলাদেশি বলে প্রমাণ করে দিচ্ছে।”

বেশ কিছু দিন ধরেই ঠাকুরবাড়ি থেকে মতুয়াদের সিএএ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। শিবির করে তা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তা নিয়ে ঠাকুরবাড়িতে বিবাদও হয়েছে। সেই কার্ডেই মতুয়াদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে গর্জে উঠেছেন মমতা। এছাড়াও শান্তনুকে নাম না করে বিঁধছেন তিনি। বলেন, “বড়মা যখন অসুস্থ হতেই কোথায় ছিলেন। একবার নয়। ৬ বার নার্সিংহোমে ভর্তি করিয়েছি। বালু আমাকে খবর দিতেন। বালু মানে জ্যোতিপ্রিয়। ঠাকুরবাড়ির উন্নয়ন আমরাই করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় করেছি।” বর্তমানে এসআইআরের সময় প্রতিমন্ত্রী বিদেশে রয়েছেন তা নিয়েও বিঁধেছেন মমতা।

এত অল্প সময়ে এসআইআর প্রক্রিয়া করা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অপরিকল্পিত পদ্ধতিতে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিএলওদের সঠিকভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয়নি। অনেকে কাজের চাপে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। মমতা জানান, “এসআইআর হবে না, তা আমরা বলিনি। সময় নিয়ে করুন। সব রকম সাহায্য করতাম। আমার কয়েকজন বিএলওকে হারিয়েছি। অনেকে অসুস্থ।” নাগরিকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ভয় পাবেন না। আমরা থাকতে আপনাদের তাড়াতে দেব না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.