১২ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুকমায় মাওবাদীদের আক্রমণে মৃত রাজ্যের তিন জওয়ানের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবার কোচবিহারে এক মৃত জওয়ানের বাড়িতে যান তিনি৷ সেই সঙ্গে প্রত্যেক পরিবারকে পাঁচ লক্ষ করে টাকা ও চাকরির প্রতিশ্রূতি দিলেন মমতা৷ অন্যদিকে, সুকমায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন ২৫ জন শহিদ জওয়ানকে শ্রদ্ধা জানান৷ তাঁর প্রতিক্রিয়া, ঠান্ডা মাথায় জওয়ানদের খুন করা হয়েছে৷ সরকার এই ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিচ্ছে৷ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে৷

[হিন্দু ধর্মের বদনাম করছে বিজেপি, অমিতের সফরের মাঝেই তোপ মমতার]

মধুচন্দ্রিমা সেরে ফেব্রুয়ারিতে যোগ দিয়েছিলেন চাকরিতে৷ স্ত্রী-র হাতের মেহেন্দি এখনও পুরোপুরি ওঠেনি৷ তারই মধ্যে সব শেষ৷ ছত্তিশগড়ের সুকমায় মাওবাদী হানায় শহিদ এ রাজ্যের সেনা জওয়ান কৃষ্ণকুমার দাস৷ এদিন তাঁর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বললেন, যাঁরা মাওবাদীদের হাতে খুন হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বাংলার তিন জওয়ান আছেন৷ যাঁরা চলে যান তাঁদের ফেরানো যায় না কিন্তু মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো যায়৷ অর্থ সাহায্যের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যকে চাকরিও দেবে রাজ্য সরকার৷ পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন কোচবিহার এক নম্বর ব্লকের নাককাটির আঠারোনালা গ্রামের বিনয়চন্দ্র বর্মন৷ একমাত্র ছেলে সেনা বাহিনীতে চাকরি পাওয়ায় দিন বদলের আশায় বুক বেঁধেছিলেন বৃদ্ধ বাবা খগেনচন্দ্র বর্মন৷ ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলায় তাঁর মৃত্যু হওয়ায় অথই জলে পরিবার৷ ডুকরে কাঁদছেন মা ফুলবালাদেবী৷ শোকে কার্যত পাথর হয়ে গিয়েছেন স্ত্রী চুমকি৷ কিছু বুঝতে পারছে না দেড় বছরের ছেলে বীরেন৷ নিহত নদিয়ার করিমপুরের পূর্বপাড়ার অভয়পুরের বাসিন্দা সেনা জওয়ান অরূপের বাড়িতেও শোকের পরিবেশ৷

[কলাপাতায় ডাল-ভাত খেয়ে নকশালবাড়িতে সফর শুরু অমিত শাহর]

কোচবিহারের নিহত দুই সেনা জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ দুপুরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছয়৷ সেখানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া৷ মুকেশ গত সরস্বতীপুজোর দিন বিয়ে করেন৷ স্ত্রী দীপান্বিতা বলেন, “সেপ্টেম্বরে বঙ্গাইগাঁওয়ে পোস্টিং হবে বলে জানিয়েছিল৷ প্রায় দিনই ফোনে কথা হত৷ সংসারটা গুছিয়ে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল৷”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং