Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে শোনানো হবে না মোদির ভাষণ, অনড় রাজ্য

স্বাধীনতা দিবসের পর এবার প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ নিয়ে তুঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭, ০৫:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭, ০৫:২৪

options
link
কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে শোনানো হবে না মোদির ভাষণ, অনড় রাজ্য zoom

স্টাফ রিপোর্টার: শুরুটা হয়েছিল স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে। রাজ্যের সর্বশিক্ষা মিশনের আওতায় থাকা স্কুলগুলিতে কীভাবে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে হবে, সে বিষয়ে একটি বিতর্কিত নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট। সেই নির্দেশ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান, মোদির ইচ্ছামতো অনুষ্ঠান করবে না রাজ্যের কোনও স্কুল। আর এবার প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনা বাধ্যতামূলক কি না তা নিয়েও ফের প্রশ্ন উঠে গেল।

কিন্তু ব্যাপারটা কী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ (ইউজিসি) দেশের সমস্ত উপাচার্যকে ওই চিঠি পাঠিয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে স্বামী বিবেকানন্দর শিকাগো বক্তৃতার ১২৫ তম বর্ষ এবং দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। উপাচার্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেই ভাষণ ছাত্রছাত্রীদের ‘লাইভ’ দেখাতে হবে। তারজন্য প্রোজেক্টর-সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জোগাড় করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই নির্দেশকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘তুঘলকি’ বলে মনে করছে।

[বিজেপির সঙ্গে যোগ রাখলে তৃণমূল ছাড়ুন, হুঁশিয়ারি মমতার]

এই প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ইউজিসির এই নির্দেশ শিক্ষায় গৈরিকীকরণ করার প্রচেষ্টা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেখানোর নির্দেশকে এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ করল বাংলা। আগেও শিক্ষক দিবসে এই ধরনের নির্দেশকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছে এ রাজ্য। স্কুলগুলিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান তথ্য আকারে দিল্লিতে পাঠানোর নির্দেশও প্রত্যাখ্যান করেছে। শুক্রবার আরও একবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রণংদেহি মেজাজে দেখা গেল বাংলাকে। সংবিধানে শিক্ষা বিষয়টি যৌথ তালিকাভুক্ত। অর্থাৎ, শিক্ষায় যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে হলে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়ে মিলে তা নিতে হয়। স্কুলস্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত কার্যত একতরফা নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। এ রাজ্যের তরফে আগেও প্রতিবাদ হয়েছে। শুক্রবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ফের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্র কীভাবে একের পর এক একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। রাজ্যকে কিছু না জানিয়ে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কীভাবে এমন ‘তুঘলকি’ নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের আদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে করছেন পার্থবাবু।

কেন্দ্রের পাঠানো চিঠিতে আগে দীনদয়াল ও পরে স্বামীজির নাম লেখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, বিবেকানন্দ শুধু এদেশের নয়, গোটা পৃথিবীর আদর্শ পুরুষ। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম শতবার্ষিকী পালনের পরে বিবেকানন্দর নাম মনে পড়েছে। তিনি বলেন, আমাদের কাছে কেন্দ্র সরাসরি চিঠি দেয়নি। তবে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের অনুষ্ঠান করতে দেব না।

[রাজ্য সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর, জানুয়ারিতে মিলবে ১৫% বকেয়া ডিএ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.