Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

একসঙ্গে মিছিল করলেন মোদি-মমতা-অনুব্রত, সাক্ষী রইল সিউড়ি

ব্যাপারটা কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১২:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১২:০১

options
link
একসঙ্গে মিছিল করলেন মোদি-মমতা-অনুব্রত, সাক্ষী রইল সিউড়ি zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেজেছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শর্মিলা মালাকার। (ছবি- বাসুদেব ঘোষ )

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: ধরমপুজোর শোভাযাত্রায় একসঙ্গে দেখা গেল নরেন্দ্র মোদি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডলকে। যদিও মহামিছিলে জনপ্রিয়তা কুড়ালেন বেশি অনুব্রত। কেউ তাঁর সঙ্গে হাত মেলালেন, কেউ সেলফি তুললেন।তাঁকে দেখতেই ভিড় জমে গেল শহরের রাজপথে।

আসলে তিন এই জনপ্রিয় নেতাকে নিয়েই এবারের সিউড়ির ধরমপুজোর সং বেরোয়। এছাড়াও ছোট বড় নানা ধরনের ২৫টি সং ছিল সিউড়ির মালিপাড়া থেকে বেরোনো শোভাযাত্রায়। কিন্তু রিকশয় বসে নকল অনুব্রত যা সমর্থন কুড়োলেন, তা নিয়েই জমে গেল এদিনের সং।

Advertisement

মেদিনীপুরে তৃণমূলের পালটা সভা, থাকছেন মোদির ব়্যালিতে আহতদের পরিবার ]

রিক্সায় বসে অনুব্রত।পরনে সাদা পাঞ্জাবি।  তাঁর ডান দিকে বাঁদিকে উন্নয়ন নিয়ে পোস্টার। সঙ্গে তাঁর চড়াম চড়াম ঢাক বাজানোর ছবি। দুহাত নেড়ে অনুব্রতকে নকল করার চেষ্টা করলেন অনুব্রত সাজা সুব্রত মাল। পেশায় তিনি সিউড়ি পুরসভার কর্মী। তবে নকল হলেও অনুব্রতর যে দশাসই চেহারা, তার আশুতোষ গোঁফের ফাঁকে হাসি, মুখে পানের খিলি না থাকায় এক ঝলকে অনুব্রত মনে হয়নি। তবুও বিতর্কিত ও জেলার উন্নয়নের কান্ডারিকে সংয়ের বাজারে দেখে আনন্দিত সিউড়ি শহরবাসী।

অনুব্রত সেজেছিলেন সুব্রত মাল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেজেছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শর্মিলা মালাকার। মোদি সেজেছিল পাঁচ বছরের দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্পতরু পল্লির বাসিন্দা দেবব্রত এদিন মোদি সাজতেই মালিপাড়া এসেছিল মা বাবার সঙ্গে।

রাতের অন্ধকারে খুন বিজেপি নেতা, উত্তপ্ত মন্দিরবাজার ]

এছাড়াও শিব ও দুর্গা, রামকৃষ্ণ-সহ ২৫টি সং ছিল শোভাযাত্রায়। উদ্যোক্তাদের অন্যতম গৌতম মালাকার বলেন, সিউড়ির ঐতিহ্যবাহী এই ধরমপুজোয় সং একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর সাহায্যেই তখনকার দিনে মানুষকে বার্তা দিত আমাদের অগ্রজরা। এখন অবশ্য নানা মাধ্যম উঠলেও সংয়ের আকর্ষণ এই এলাকায় কমেনি। আমরা সেটা ধরে রাখার চেষ্টা করি। নিজেরাই চাঁদা তুলে শোভাযাত্রার খরচ বহন করি। নিজেরাই সাজাই। ঠিক করি এবারের সংয়ে কী বার্তা দেওয়া যায়। তবে এবারের জনপ্রিয়তায় অনুব্রত সকলের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। তাই জনপ্রিয় এই নেতা শোভাযাত্রায় স্থান পাওয়ায় তার অনুগামীরা স্বভাবতই খুশি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.