৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী হয়েও যে সাধারণের ভিড়ে মিশে থাকাই তাঁর পছন্দ, বারবার তা প্রমাণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবারও এর অন্যথা হল না। প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ফেরার পথে দিঘার দত্তপুরপল্লি এলাকায় চায়ের দোকানে ঢুকে রীতিমতো চা বানালেন তিনি। নিজের হাতে তৈরি চা পরিবেশন করলেন শুভেন্দু অধিকারী, শিশির অধিকারী ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। আচমকা দোকানে মুখ্যমন্ত্রীর এই রূপ দেখে হতবাক হয়ে যান দোকান কর্মীরাও।  

[আরও পড়ুন:সোনারপুরে জল জমার প্রতিবাদে বিক্ষোভে মদত তৃণমূলেরই দুই পুর প্রতিনিধির!]

সোমবার বিকেলে দিঘায় গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী, জেলা সভাধিপতি দেবব্রত দাস এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা। দিঘা পৌঁছেই মমতা এলাকা পরিদর্শনে যান। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা সঠিক সময়ে সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা তাও জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবারও প্রশাসনিক বৈঠকের পর একই ভূমিকায় দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। বৈঠক সেরে ফেরার পথে মন্ত্রী ও সাংসদ ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে দত্তপুরপল্লি এলাকায় যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার বাসিন্দাদের সমস্যার কথা শোনেন তিনি। দ্রুত সমাধানের আশ্বাসও দেন। এরপর মহিলাদের হাতে তুলে দেন শাড়ি। খুদেদের চকলেটও উপহার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা।

ফেরার পথে এলাকার একটি চায়ের দোকানে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। দোকানে গিয়ে নিজেই শুরু করেন চা বানানো। চা তৈরির পর সকলকে পরিবেশন করে নিজেও চা পান করেন। দোকানে দাঁড়িয়ে কথা বলেন ক্রেতাদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি বরাবরই রান্না করতে ভালবাসি। কিন্তু সময়ের অভাবে এখন আর হয়ে ওঠে না।” এরপর ফের দোকান থেকে বেরিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

দেখুন ভিডিও: 

[আরও পড়ুন:‘দুর্ঘটনা রোখার নামে তোলাবাজি করছে পুলিশ’, ক্ষোভপ্রকাশ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং