Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bongaon

সাইবার ক্যাফের আড়ালে আবাস যোজনায় কাটমানি হাতানো! বনগাঁয় গ্রেপ্তার যুবক

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি সাইবার ক্যাফের মালিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৫, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৫, ১৬:৪০

options
link
সাইবার ক্যাফের আড়ালে আবাস যোজনায় কাটমানি হাতানো! বনগাঁয় গ্রেপ্তার যুবক zoom
ধৃতকে এদিন আদালতে তোলা হয়। নিজস্ব চিত্র

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: আবাস যোজনার টাকায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ। ঘর তৈরির জন্য ওই ব্যক্তির ব্যাঙ্কে ৬০ হাজার টাকা এসেছিল। কাজ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কথা বলে একপ্রকার জোর করে ২০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ওই যুবক সাইবার ক্যাফের মালিক। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গোপালনগর এলাকায়।

আবাস যোজনায় পাওয়া টাকা থেকে কাটমানি নেওয়া অভিযোগ উঠল গোপালনগর থানার আকাইপুরের এক সাইবার ক্যাফের মালিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত অনুপ রায়কে গ্রেপ্তার করে। আকাইপুর বাজারে তাঁর দোকান রয়েছে। সেখানে অনলাইনে টাকা তোলা-জমা দেওয়া চলে বলে খবর। ওই এলাকার বাসিন্দা আবাসের ঘর প্রাপক নিমাই সরকারের অভিযোগ,  সম্প্রতি ঘর তৈরির জন্য তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছিল। ব্যাঙ্ক থেকে ওই টাকা তোলা হয়। অভিযুক্ত অনুপ রায় তাঁর কাজ করিয়ে দিয়েছেন। এই কথা বলে নিমাই সরকারের কাছ থেকে জোর করে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তা দিতে অস্বীকার করে। এরপর নিমাইবাবু গোপালনগর থানার দ্বারস্থ হন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই সাইবার ক্যাফের মালিককে গ্রেপ্তার করে।

Advertisement

আজ রবিবার অভিযুক্তকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক ধৃতকে তিনদিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। অতীতে এমন কাজ আরও করেছেন কি এই ব্যক্তি? সেই বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় রাজনীতির রঙও লেগেছে। এমন কাজ তৃণমূলের মদত ছাড়া সম্ভব না। এর পিছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে। এমনই অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। অন্যদিকে, তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগ মানতে চাননি। তিনি বলেন, নিমাই দাস বাড়ি করার জন্য ৬০ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলার পর অভিযুক্ত ২০ হাজার টাকা নেন। আমরা জানতে পারি অভিযুক্ত এর আগে টাকার বিনিময় বাংলাদেশিদের ভোটার লিস্টে নাম তুলেছে। পুলিশ তদন্ত করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের টাকায় যারাই হস্তক্ষেপ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।”

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.