নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: ৫৩ লক্ষ টাকার সোনা বাজেয়াপ্ত বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পেট্রাপোল শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালান। এক চোরা কারবারিকে আটক করে তল্লাশি চালালে উদ্ধার হয় সোনার বিস্কুট। ধৃত পাচারকারীর নাম সুমন মণ্ডল। বাড়ি বনগাঁ থানার চড়ুইগাছি এলাকায়।
ধৃত সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকটি তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। দিনের বেলায় পেট্রাপোল সীমান্তে পরিচয়পত্র জমা রেখে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশের জমিতে চাষ করতে যেতেন সুমন। ওখানেই হ্যাপি নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ হয়। তার মাধ্যমে বেআইনিভাবে সোনা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে চড়ুইগাছির কৃষক। শুক্রবার তাকে ১৪টি সোনার বিস্কুট দিয়েছিলেন হ্যাপি। কথা ছিল, বনগাঁর ট্যাংরা কলোনি এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার। এই কাজের জন্য প্রতিবার সুমন পেত এক হাজার টাকা। কিন্তু তার আগেই ধরা পড়ে সুমন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পেট্রাপোল শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকরা বনগাঁ থানার চড়ুইগাছি এলাকায় অভিযান চালান। সুমনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আটক করা হয়। তল্লাশি চালাতেই তার প্যান্টের পকেট থেকে পাওয়া যায় ১৪ টি সোনার বিস্কুট। যার আনুমানিক ওজন দেড় কেজি৷ বাজারমূল্য প্রায় ৫৩ লক্ষ টাকা।
[সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের, ৫ বছরের শিশুকে খুন জেঠিমার]
পেট্রাপোল ছাড়াও রাজ্যের বেশ কয়েকটি সীমান্ত অঞ্চলে সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অনেকেই। এছাড়া বিমানবন্দর, শহরাঞ্চলেও সোনা পাচারচক্রের হদিশ মিলেছে। দমদম বিমানবন্দরে চোরাপথে সোনা পাচারের অভিযোগে বিদেশি মহিলারাও ধরা পড়েছেন অনেকবার। উদ্ধার হয়েছে সোনা। এসটিএফ, গোয়েন্দা দপ্তরের যৌথ তল্লাশিতে পাচারচক্রের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও, অধরা অনেকেই। আর এই জাল যে ক্রমশই সীমান্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে, তা বোঝা যাচ্ছে এদিনের ঘটনা থেকেই।
সর্বশেষ খবর
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫
-
পশুপাখির ঘর কেড়ে ১০ হাজার কক্ষের রিসর্ট! ট্রাম্পের জামাইয়ের বিরুদ্ধে জনগর্জন আলবেনিয়ায়