Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Electricity Bill

বিদ্যুতের বিল মেটাতে গিয়ে নিমেষে ফাঁকা অ্যাকাউন্ট! মাথায় হাত গৃহস্থের

একটি লিংকে ক্লিক এবং দুটি অ্যাপ ডাউনলোডের পরই উধাও টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৩, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৩, ১৯:১৪

options
link
বিদ্যুতের বিল মেটাতে গিয়ে নিমেষে ফাঁকা অ্যাকাউন্ট! মাথায় হাত গৃহস্থের zoom
ছবি: প্রতীকী

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: বকেয়া বিদ্যুৎ বিল না মেটালে কেটে দেওয়া হবে সংযোগ। মেসেজ পেয়ে সেখানে থাকা কাষ্টমার কেয়ার নম্বরে ফোন করে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণার শিকার হলেন পূর্বস্থলী থানা এলাকার বাসিন্দা গোলাম হোসেন শেখ। তাঁর ব্যাঙ্কের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ, সাইবার ক্রাইমের দ্বারস্থ হন তিনি। লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কাষ্ঠশালী এলাকার বাসিন্দা গোলাম হোসেন শেখ। তিনি ভিআরপির কাজ করেন। পাশাপাশি নিজেরই অল্পস্বল্প জমিতে তিনি চাষবাসও করেন। গত ২১ নভেম্বর সকালে তাঁর ফোনে একটি মেসেজ আসে। সেখানে জানানো হয়, বকেয়া বিল না মেটালে ওইদিন রাতের মধ্যেই তাঁর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। যদিও এর আগে অনলাইনে তিনি বিদ্যুৎ বিল মিটিয়ে দেন। কোনও কারণে তা জমা হয়নি। তিনি মনে করেন মেসেজটি বিদ্যুৎ অফিস থেকে এসেছে। এই বিশ্বাসে সেই মেসেজে থাকা একটি কাষ্টমার কেয়ার নম্বরে তিনি ফোন করেন। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বিদ্যুৎ দপ্তরের কলকাতা হেড অফিসের পরিচয় দেয়। প্লে স্টোরের মাধ্যমে দুটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয়। তিনি তা করেও নেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বদলার আগুন! ‘অ্যানিম্যাল’-এর রক্তাক্ত ট্রেলারে রোমহর্ষক রণবীর, শিহরিত নেটপাড়া]

তারা একটি লিংকও পাঠায়। গোলামবাবুর মনে সন্দেহ তৈরি হয়। প্রতারকরা কৌশলে ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তার বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেয়। এর পরই তার দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথমে ৭৮ হাজার ৬৯৮ টাকা, কিছু পরে দফায় দফায় ২৭ হাজার ৪১০ টাকা তুলে নেয় সাইবার প্রতারকরা। গোলাম হোসেনবাবু বলেন, “বকেয়া বিদ্যুৎ বিল মেটাতে গিয়ে আমি সাইবার প্রতারকদের খপ্পরে পড়ি। ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেয়। আমার দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলে নেয় তারা। আমার আয় খুব বেশি নয়। গরিব মানুষ। জমানো টাকা এইভাবে চলে যাওয়ায় আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম। কী করব কিছু বুঝে উঠতে পারছি না।”

[আরও পড়ুন: কেষ্ট জেলে, পার্থ জেলে, বালু জেলে…আমি বিশ্বাস করি না ওরা চোর: মমতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.