Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Chitfund

চিটফান্ডের নামে কোটি টাকা প্রতারণার পর ভিনজেলায় গা-ঢাকা! শুরু রাজনৈতিক তরজা

হাওড়ায় প্রতারণার পর পালিয়ে এসে নৈহাটিতে ঘাঁটি গেড়েছিল দুষ্কৃতী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ২২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ২২:২৮

options
link
চিটফান্ডের নামে কোটি টাকা প্রতারণার পর ভিনজেলায় গা-ঢাকা! শুরু রাজনৈতিক তরজা zoom
এই বাড়িই ভাড়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে ছিলে 'প্রতারক'। নিজস্ব ছবি।

অর্ণব দাস, বারাকপুর: চিটফান্ড কোম্পানি খুলে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার পর ভিনজেলায় আস্তানা গেড়েছিল দুষ্কৃতী। হাওড়া থেকে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির গরুর ফাঁড়ি এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল, সঙ্গে ছিলেন মা-ও। সেই খবর জানতে পেরে সম্প্রতি কয়েকজন প্রতারিত চড়াও হয়েছিলেন অভিযুক্ত পার্থ হাইতের ভাড়াবাড়িতে। গন্ডগোলের খবর পেয়ে নৈহাটি থানার পুলিশ সেখানে গেলে শুক্রবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, পার্থ হাইতের বিরুদ্ধে চাকরির নামে চার লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। চিটফান্ডের নামে প্রতারণার কোন ঘটনা রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ নৈহাটি থানায় দায়ের হয়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার বাগনানের বাসিন্দা পার্থ হাইত কয়েক মাস আগে মায়ের সঙ্গে নৈহাটির গরুর ফাঁড়ি এলাকায় ভাড়ায় আসেন। দিন কয়েক আগে তার বাড়িতে প্রতারণার অভিযোগে বহু মানুষ জড়ো হতেই বিষয়টি জানাজানি হয়। এনিয়ে স্থানীয় বিধায়ক সনৎ দে বলেন, “জালিয়াতির সঙ্গে একজনকে উলুবেড়িয়ায় আটকে রেখে প্রতারকরা পার্থ নৈহাটিতে আছে বলে খোঁজ পায় শুনেছি। এরপরই জানা গেল বিরাট অঙ্কের জালিয়াতি হয়েছে। পুলিশকে জানিয়েছি উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে। যে অভিযুক্তকে আশ্রয় দিয়েছিল সে ও পার্থ পলাতক বলে শুনেছি।”

Advertisement

বাড়ির মালিক সুরিন্দার চৌধুরী বলেন, “আমরা চিনতাম না। মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দা বাঘা বলে একজন ভাড়া জন্য নিয়ে এসেছিল। মাসিক ৯হাজার টাকা ভাড়ায় দু’মাসের ভাড়া অ্যাডভান্স নিয়ে ১১ মাসের এগ্রিমেন্ট ছিল। চার-পাঁচ মাস ধরে ওরা রয়েছে।” যদিও অভিযুক্ত পার্থর মা শীলা হাইত বলেন, “চিটফান্ডের ব্যবসা ছেলের নয়। দেবজিৎ রায় ও বিশ্বজিৎ রানার নামে অন্য দু’জনের। পরে শুনলাম ওই দু’জন টাকা নিয়ে কী সব করেছে। ছেলে মাঝখানে থেকে ফেঁসে যাবে বলে ওদের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেছিল। সেগুলোই পুলিশ এসে নিয়ে গিয়েছে। যারা এসে গন্ডগোল করেছিল তাদের বিশ্বজিৎ, দেবজিতরা পাঠিয়েছিল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.