Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hooghly

কাজে যেতে চাপ দেওয়ায় রাগের মাথায় মাসিকে খুন! হুগলির হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার বোনপো

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনের কিনারা করল হুগলি জেলার পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৪:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৪:০১

options
link
কাজে যেতে চাপ দেওয়ায় রাগের মাথায় মাসিকে খুন! হুগলির হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার বোনপো zoom
সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ আধিকারিকরা। নিজস্ব চিত্র

সুমন করাতি, হুগলি: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনের কিনারা করল হুগলি জেলার পুলিশ। জাঙ্গিপাড়ার মহিলা খুনের কিনারা হল। খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার মৃতার বোনপো আশরফি শেখ। রবিবার রাতে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য জানিয়েছেন, হুগলির অতিরিক্ত গ্রামীণ পুলিশ সুপার কৃষাণু রায়। ঘটনার দিন কাজে যেতে বারবার চাপ দিচ্ছিলেন মাসি। সেই কারণেই রাগের বশে ওই খুন!

গত ৩১ জানুয়ারি দুপুরে আফসানা বেগম(৩৬) নামে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। হুগলির জাঙ্গিপাড়া থানার ফুরফুরা ফুলবাগান এলাকায় নিজের ঘর থেকে ওই মৃতদেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনও কারণ? তাই নিয়ে শুরু হয় চর্চা। জাঙ্গিপাড়া থানার পুলিশ আধিকারিকরা অকুস্থলে গিয়ে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করেন। সেদিনই সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বছর কুড়ির আশরফি শেখের নাম উঠে আসে।

Advertisement

তাঁর খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন নিশ্চিত করে ও অন্যান্য সূত্র মারফত তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধারাবাহিক জেরায় একসময় ভেঙে পড়েন ওই তরুণ। খুনের কথা স্বীকার করে নেন তিনি। ওই যুবক ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে জাঙ্গিপাড়া থানায় রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন হুগলি জেলা গ্রামীণ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষাণু রায়।

তিনি জানান, অভিযুক্ত বোনপো মাসির সঙ্গেই ওই বাড়িতে থাকতেন। এলাকারই একটি মাংসের দোকানে তিনি কাজ করতেন। রবিবার আশরফি কাজে যেতে চাইছিলেন না। তাই নিয়ে মাসির সঙ্গে ঝামেলা লেগে যায়। মাসি তাঁকে উত্তেজিত হয়ে একাধিক কুকথা বলেন বলে অভিযোগ। তারপরই রেগে গিয়ে মাসিকে আক্রমণ করে ওই তরুণ। ঘরের মধ্যেই একটি কাটারি ছিল। সেটি দিয়েই আফসানা বেগমকে আক্রমণ করা হয়। গলার শ্বাসনালী কেটে খুন করা হয় তাঁকে। খুনে ব্যবহৃত ওই কাটারি অন্য জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেই অস্ত্রও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

ঘটনায় আশরফির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িয়ে আছে, কিনা সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.