Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Man shot at by friends

বন্ধুর বাড়িতে মদের আসরে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি, পুলিশের জালে অভিযুক্ত

শক্তিনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৯, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৯, ১৭:০৭

options
link
বন্ধুর বাড়িতে মদের আসরে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি, পুলিশের জালে অভিযুক্ত zoom

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: বন্ধুর বাড়ির মদের আসরে যোগ দিয়ে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনলেন নদিয়ার এক ব্যক্তি৷ ঘরের ভিতরেই গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ সোমবার রাতে এভাবে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার তেহট্টে। কিন্তু কেন চলল গুলি? ব্যবসায়িক শত্রুতা নাকি অন্য কিছু?  না কি রাজনৈতিক কারণ?  তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল আধিকারিকদের।  ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে তেহট্ট থানার পুলিশ। 

[আরও পড়ুন: প্রশিক্ষণ শেষ, ‘হক জেট’ ছুঁয়ে যুদ্ধবিমানের পুরোদস্তুর পাইলট মোহনা সিং]

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার রাতে। জানা গিয়েছে, এদিন রাতে গুলিবিদ্ধ সনাতন মণ্ডলকে তেহট্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় ভীম মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি। হাসপাতালে পুলিশ ভীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে, ইসলামপুর এলাকা থেকে বাইকে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সনাতন মণ্ডল। তার থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তেহট্ট থানার পুলিশ। পাশপাশি, ভীমকে জিজ্ঞাসাবাদও করেন তাঁরা। কিন্তু ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর পুলিশের সন্দেহ হয়, আদৌ ওই জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটেছিল কি না। এরপরই ভীম মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারীরা। সেখানে তাঁরা দেখতে পান ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ, ঘর থেকে রক্তের গন্ধ পান তাঁরা। এরপরই তাঁদের নজরে পড়ে আলমারিতে আটকে থাকা গুলিতে। এতেই খোলে রহস্যের জট। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: একের পর এক ‘জয় বাংলা’ মেসেজ আসছে ফোনে, বিরক্ত হয়ে এটাই করলেন বাবুল]

ভীমের বাড়িতে রক্ত দেখেই তাকে চেপে ধরেন তদন্তকারীরা। জেরার মুখে ভেঙে পড়ে ভীম। জানায়, সোমাবার রাতে তিন বন্ধু মিলে মদের আসর বসিয়েছিল তার বাড়িতে। সেই সময় অসাবধানতাবশত গুলি চলে তার সেভেন এমএম পিস্তল থেকে। তাতেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে সনাতন। গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সোমবার গভীর রাতে ভীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল ভীম ও সনাতন। তা নিয়েই দু’জনের মধ্যে কোনও গন্ডগোল হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। বর্তমানে শক্তিনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.