Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Sabang

একুশের ভোটের পর সন্ত্রাস! সবংয়ে গ্রেপ্তার মানস ভুঁইয়া ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেতা

গত ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে ভেমুয়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন ধৃত তৃণমূল নেতা।

Advertisement
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৭:৪৫

link
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৭:৪৫

options
link
একুশের ভোটের পর সন্ত্রাস! সবংয়ে গ্রেপ্তার মানস ভুঁইয়া ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেতা zoom
সবংয়ে গ্রেপ্তার মানস ভুঁইয়া 'ঘনিষ্ঠ' তৃণমূল নেতা

রাজ্য সরকারের পালাবদলের পরই গ্রেপ্তার সবং পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক তরুণ মিশ্র। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধায়ক মানস ভুঁইয়ার ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে সবং থানার পুলিশ আটক করে ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে। তারপরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের বাড়ি সবং থানার ভেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়াই গ্রামে। শুক্রবার ধৃত নেতাকে মেদিনীপুর জেলা আদালতে হাজির করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তরুণ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা সবং ব্লকে।

জানা গিয়েছে, দিনদুয়েক আগে ধৃত নেতার পাড়ার পবিত্র জানা নামে এক বিজেপি কর্মী থানায় তরুণ মিশ্র-সহ ভেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজীব শী-সহ আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে ভেমুয়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। তৎকালীন শাসকদলের সন্ত্রাসের জেরে সেই সময় বিজেপির কমপক্ষে শ’খানেক কর্মীকে এলাকা ছাড়া হতে হয়েছিল। অনেককেই রোজগারের আশায় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে পাড়ি দিতে হয়েছিল। অভিযোগ সেই সময় বিরোধীদের প্রচুর ঘর ভাঙচুর করা হয়, কর্মীদের মারধর করা হয়। এমনকি খড়ের গাদায় আগুন লাগানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

এই ব্যাপারে বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অমূল্য মাইতি বলেন, “ধৃত এই নেতার নেতৃত্বে তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী গোটা ভেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ব্যাপক সন্ত্রাস করেছিল। বিজেপির কর্মী ও সমর্থকদের অন্তত ৪৫টি বাড়ি ভাঙচুর করে লুট করা হয়। শতাধিক কর্মীকে ঘর ছাড়া হতে হয়। এত কিছুর পরেও সেই সময় পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন। সেই ঘোষণার পর সাহসে ভর করে এখন অনেকেই সেই সময়ের বিভিন্ন সন্ত্রাসের অভিযোগ দায়ের করছেন। আমরা চাই যাঁরা ওইসব ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাঁদের সকলকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।”

অপরদিকে তৃণমূলের সবং ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আবু কালাম বক্স বললেন ” ২০২১ সালের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যদি ধরা হয় তাহলে সেটা এখন কেন করা হচ্ছে? তখন কেন অভিযোগ জানানো হয়নি? তবে সবং কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কয়েক দিন ধরেই গোটা রাজ্যে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ এনে ধরপাকড় করা হচ্ছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.