Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Purulia

১৪ দিনে ‘খুন’ ২০ ছাগল! ঝালদার জঙ্গলে হামলা কোন অজানা বন্যপ্রাণীর?

শিকারের ধরন ও পায়ের ছাপ দেখে বনদপ্তরের অনুমান বিড়াল প্রজাতির কোনও প্রাণী হামলা চালাচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ১৪:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ১৪:৩৬

options
link
১৪ দিনে ‘খুন’ ২০ ছাগল! ঝালদার জঙ্গলে হামলা কোন অজানা বন্যপ্রাণীর? zoom
ঝালদার বনাঞ্চলে গোল্ডেন জ্যাকেল। পুরুলিয়া বনবিভাগের ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা ছবি। পুরুলিয়া বনবিভাগের সৌজন্যে।

অমিত সিং দেও, মানবাজার: দু’সপ্তাহে প্রায় ২০টি ছাগল হত্যা। কখনও জঙ্গলে, আবার কখনও একেবারে গৃহস্থের গোয়াল ঘরে হানা। কিছু ক্ষেত্রে কয়েকটি ছাগল নিখোঁজ হয়। কয়েকটি মৃতদেহের একাংশ জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে কয়েকটি ঘটনায় খুবলে রক্ত চুষে নেওয়ার পরে গোয়ালঘরেই মৃত ছাগলগুলিকে ফেলে পালিয়ে যায় অজানা কোনও বন্যপ্রাণী।

পুরুলিয়া বনবিভাগের পাহাড় -জঙ্গল ঘেরা ঝালদা রেঞ্জের কাঁটাডি, মহাদেবপুর, গোপালপুর, হুসেনডি, গুটিলোয়া, ছাতমঘুটু গ্রামে এখন অজানা বন্যপ্রাণীর ভয় গ্রাস করেছে বাসিন্দাদের মনে। শিকারের ধরন ও পায়ের ছাপ দেখে বনদপ্তরের অনুমান বিড়াল প্রজাতির কোনও প্রাণী হামলা চালাচ্ছে। তবে সেটা কে? আগন্তুকের পরিচয় পেতে দিন-রাত নজরদারি তো চলছেই। পাশাপশি জঙ্গলের একাধিক স্থানে পাতা হয়েছে ট্র্যাপ ক্যামেরা। তবে আপাতত ওই সমস্ত ক্যামেরায় গোল্ডেন জ্যাকেল, খরগোশ ছাড়া তেমন কিছুই নজরে আসেনি। পুরুলিয়া বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা কংসাবতী উত্তর বনবিভাগের ডিএফও মুদিত কুমার বলেন, “ট্র্যাপ ক্যামেরায় একজোড়া গোল্ডেন জ্যাকেলের ছবি ধরা পড়েছে। তবে যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে সেগুলি ওই প্রাণীর দ্বারা সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি যাতে আক্রমণকারীর পরিচয় জানতে পারি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পাঁচটি অত্যাধুনিক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। সম্প্রতি কয়েক বছর আগে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বন্যপ্রাণী নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। পরে বনদপ্তর নিজেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি বন্যপ্রাণি নিয়ে খোঁজ চালায়। ওই দুটি অনুসন্ধান রিপোর্টে পুরুলিয়ায় মাংসাশী প্রাণী জঙ্গল বিড়াল, মেছো বিড়াল, শিয়াল ছাড়াও চিতা বাঘ, ডোরাকাটা হায়না ও নেকড়ের উপস্থিতির নমুনা মেলে।

তবে সম্প্রতি ঝালদার গ্রামের জঙ্গলে যে হামলাগুলি ঘটছে সেখানে ছাগলের উপর হামলা হচ্ছে। সেখানে পায়ের ছাপ এবং হামলার ধরণ দেখেও বিড়াল প্রজাতির বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে বিড়াল প্রজাতির মধ্যে চিতা বাঘ বা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার একসঙ্গে একাধিক ছাগলের উপর হামলা করতে পারে। বনদপ্তরের তথ্য বলছে, কোটশিলা, ঝালদার জঙ্গলে চিতাবাঘ এখন রেসিডেনসিয়াল। এছাড়াও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারও আনাগোনা করে। তবে এখনও ছাগল বাদে বড় কোনও গবাদি পশুর উপর হামলা হয়নি। ফলে এগুলি রয়্যাল বেঙ্গলের ঘটনা নয় বলেই বনকর্তারা মনে করছেন। তবে কি চিতা বাঘ? এক বনকর্তা বলেন, “এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তবে ছবি না পাওয়া পর্যন্ত সেটা বলা মুশকিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.