শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: লাগাতার বৃষ্টিতে দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার ও শনিবার রাতভর বৃষ্টিতে করলা নদীর জলে ডুবল জলপাইগুড়ির একাধিক এলাকা। শহরের ১ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিচ মাঠ ও পরেশ মিত্র কলোনি এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায়। বন্যার কবলে পড়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অনেকের রাত কাটল ফ্লাড শেল্টারে। জায়গা না পাওয়ায় নিজের টোটো রিক্সাতেই রাত জাগলেন বহু।
ভারী বৃষ্টিতে করলা নদী (Karala River) ফুলেফেঁপে ওঠায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে। নদীর জল ঢুকে ঘর বাড়ি সব ডুবতে বসেছে। বন্যার পরিস্থিতির তৈরি হওয়ায় কমিউনিটি হল, স্থানীয় স্কুল, ক্লাব ঘর এমনকী রাস্তায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন তিন শতাধিক পরিবারের এক হাজারের বেশি মানুষ।
[আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া থেকে নেপাল, বিদেশ পাড়ি মুর্শিদাবাদের জগন্নাথের]
আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) ১৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এলাকার এক বাসিন্দা মণীষা রায় বলেন, “প্রতিনিয়ত জল বাড়ছে। বাড়ি ছেড়ে স্কুল, ক্লাবে আশ্রয় নিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ তৈরির কথা রয়েছে। তাড়াতাড়ি বাঁধ তৈরি করার দাবি জানাচ্ছি।” স্থানীয় এক যুব তৃণমূল নেতা বলেন, “এখানে দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ তৈরির দাবি রয়েছে। বিভিন্ন কারণে সেই বাঁধ হয়নি। তবে বাঁধের জন্য কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমরা মানুষের পাশে রয়েছি।” করেলা নদীর জল উপচে পড়ার পাশাপাশি তিস্তা ও জলঢাকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় লাল সতর্কতা জারি করেছে সেচদপ্তর। যা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন বাসিন্দারা।
[আরও পড়ুন: রোদ নাকি বৃষ্টি, রথের দিন কেমন থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া?]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতের মাটিতে ভারতীয় দলের ম্যাচ, সম্প্রচার করবে পাকিস্তানি সংস্থা! কেন এমন সিদ্ধান্ত বোর্ডের?
-
‘একা হয়ে পড়েছিলাম’, ইডি তলব প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেঁদে ভাসালেন নোরা
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!