বিক্রম রায়, কোচবিহার: ফের রেল দুর্ঘটনা উত্তরবঙ্গে। এবার দুর্ঘটনার কবলে বামনহাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস। বদলের সময় ওই ট্রেনের পিছনের কামরায় গিয়ে ধাক্কা মারে রেলের ইঞ্জিন। তাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই কামরা। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের বামনহাট রেল স্টেশনে। ঘটনায় শিশু-সহ বেশ কয়েকজন যাত্রী জখম হয়েছেন। এই রেল দুর্ঘটনার পরেই স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বামনহাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন প্রতিদিন যাতায়াত করে কোচবিহার ও শিলিগুড়ির মধ্যে। মঙ্গলবার সকালে শিলিগুড়ি থেকে ট্রেনটি বামনহাট স্টেশনে এসে থামে। ফের শিলিগুড়ি যাওয়ার আগে রেলের ইঞ্জিন বদল হয়। নতুন ইঞ্জিন বদল করার সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এদিন সকাল নটা নাগাদ দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের পিছনের কামরায় সজোরে এসে ধাক্কা মারে ওই ইঞ্জিনটি। ধাক্কায় প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করেন কামরায় থাকা যাত্রীরা। তাঁদের অনেকেই আসন থেকে পড়ে যান। ভয়ে অনেকে ট্রেন থেকে ঝাঁপও দেন।
সংঘর্ষের কারণে ওই কামরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন জায়গা দুমড়ে যায়। ভিতরেও অনেক কিছু ভেঙে গিয়েছে বলে খবর। ঘটনায় দুই শিশু-সহ মোট ছয়জন যাত্রী গুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই তাঁদের প্রাথমিক চিকিঠসা চলে। আঘাত গুরুতর থাকায় কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি বলে খবর। কিন্তু কী কারণে এই দুর্ঘটনা? প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ওই ইঞ্জিনের গতিবেগ বেশি ছিল। চালক শেষমুহূর্তে গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। স্টেশনের মধ্যে যাত্রীরা বিক্ষোভও দেখান। পরে রেলের কর্মীরা তাঁদের শান্ত করেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাটিকে বাদ দিয়ে ঘণ্টা দুয়েক পরে ট্রেনটি আবার শিলিগুড়ি যাত্রা করে। রেলের তরফে দুর্ঘটনা সম্পর্কে এদিন দুপুর পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ঘটনায় স্টেশন চত্বরে আতঙ্ক ছড়ায়।
সর্বশেষ খবর
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল
-
কালীঘাটের বৈঠকে সেই ‘আদি’রাই, এলেন না ‘বিদ্রোহীরা’, দল বাঁচাতে পারবেন মমতা?