BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দাবিমতো টাকা না পেয়ে একমাস পর হামলা, ঝাড়গ্রামে ব্যবসায়ীকে গুলি মাওবাদীদের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 29, 2020 3:47 pm|    Updated: August 29, 2020 4:34 pm

An Images

ছবি: প্রতীকী

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: ফের মাওবাদী আতঙ্ক ফিরল জঙ্গলমহলে। ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বেলপাহাড়িতে গভীর রাতে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। যদিও গুলি থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। তবে গ্রাস করেছে আতঙ্ক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলপাহাড়ির পচাপানি গ্রামের চার বাসিন্দা গত ২৬ জুলাই মাওবাদী নেতা মদন মাহাতোর সই করা একটি চিঠি পান। প্রাপকদের মধ্যে ছিলেন গ্যাস সংস্থার এজেন্সি চালানো এই ব্যবসায়ী, যাঁর উপর হামলা চলেছে। ছিলেন এক শিক্ষক, এক দোকানি এবং এলআইসি-র এক এজেন্ট। চিঠিতে মাওবাদী সংগঠনকে ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবি করা হয়েছিল। ২৮  জুলাইয়ের মধ্যে তা দেওয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। তবে চারজনের কেউই চিঠিকে গুরুত্ব দিয়ে ২ লক্ষ টাকা দেননি। এরপর টাকা না দিলে চরম শাস্তির হুঁশিয়ারিও পেয়েছিলেন তাঁরা। হেলায় উড়িয়ে দিয়েছিলেন তাও।

[আরও পড়ুন: স্বামীকে ছেড়ে তাঁর বন্ধুর সঙ্গে বিয়ে, ত্রিকোণ প্রেমের ভয়ংকর পরিণতি বীরভূমে]

মাওবাদীদের হুঁশিয়ারির প্রতিফলনই ঘটল বৃহস্পতিবার রাতে। হামলার মুখে পড়া ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ”বৃহস্পতিবার রাতের দিকে বাড়ির সামনে এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখে খবর দেন প্রতিবেশী। আমার সন্দেহ হয়। আমি আর আমার স্ত্রী তখন ছাদে উঠে বোঝার চেষ্টা করি, কে সেই ব্যক্তি। এরপর ছাদ লক্ষ্য করেই প্রচণ্ড শব্দ আর আলো ছুটে আসতে থাকে। তাড়াতাড়ি সেখান থেকে সরে এসে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে থাকি। আমার স্ত্রী সিঁড়িতে পড়ে যান, তাঁর পায়ে চোট লাগে।”  আতঙ্কে পচাপানি গ্রামের বাসিন্দারা। 

[আরও পড়ুন: পুরনো নাশকতা মামলায় টানা জেরা, তৃণমূলে যোগ দিতেই NIA’র নজরে ছত্রধর মাহাতো]

চলতি বছর স্বাধীনতা দিবসে ‘কালা দিবস’ পালনের ডাক দিয়ে পোস্টার পড়েছিল এই বেলপাহাড়ি গ্রামেই। একদা যে এলাকা ছিল মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল। সেদিনই ইঙ্গিত মিলেছিল, ওই এলাকায় ফের মাওবাদীদের আনাগোনা বাড়ছে। সতর্কও হয়েছিল পুলিশ প্রশাসন। এবার পচাপানি গ্রামের ব্যবসায়ীর উপর হামলার ঘটনায় সেই ধারণাই বদ্ধমূল হচ্ছে। জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার ভরত রাঠোর জানিয়েছেন, ”তদন্ত করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।” যদিও পুলিশ মহলের অন্য একাংশের ধারণা, ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে এই হামলা হয়েছে। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement