Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
হাসপাতালে আগুন

কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে আগুন, আতঙ্ক ছড়াল রোগীদের মধ্যে

খোঁজ মিলছে না বহু মা ও শিশুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৯, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৯, ১২:১৭

options
link
কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে আগুন, আতঙ্ক ছড়াল রোগীদের মধ্যে zoom

বিক্রম রায়, কোচবিহার: কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজের মাদার ও চাইল্ড হাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়াল হাসপাতালে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ২ টি ইঞ্জিন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ মা ও শিশুদের সুস্থভাবেই নিচে নামানো সম্ভব হয়েছে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে আগুন। 

[আরও পড়ুন:বিরাটিতে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামী]

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎই কোচবিহার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দোতলায় মাদার ও চাইল্ড হাবের পাশের প্যানেল রুম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হাসপাতাল। এরপরই হাসপাতালের তরফে মা ও শিশুদের নিচে নামিয়ে আনা হয়। আতঙ্কে অনেক রোগী নিজেই নেমে আসেন। খবর পেয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। জেলাশাসক কৌশিক সাহা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও আতঙ্কগ্রস্থ রোগী ও রোগীর পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই মা ও শিশুদের আলাদা দুটি ঘরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁদের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবে এদিনের অগ্নিকাণ্ডে হুড়মুড়িয়ে নামতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে বেশ কয়েকজন প্রসূতি। খোঁজ মিলছে না কয়েকটি শিশুরও। প্রাথমিকভাবে দমকলকর্মীদের অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড। যদিও আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না এলে অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ বলা সম্ভব নয় বলেই জানান তাঁরা। 

ছবি: দেবাশিস বিশ্বাস

[আরও পড়ুন:মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম আইজি রাজীব মিশ্রের, কটাক্ষ সাংসদ অর্জুন সিংয়ের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.