Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Bankura

বন্ধ দরজার ফাঁক দিয়ে চুঁইয়ে বেরচ্ছে রক্ত! ঘর খুলতেই বীভৎস দৃশ্যের সাক্ষী মা, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়

কী ঘটল বাঁকু়ড়ায়?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৩, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৩, ১৬:০১

options
link
বন্ধ দরজার ফাঁক দিয়ে চুঁইয়ে বেরচ্ছে রক্ত! ঘর খুলতেই বীভৎস দৃশ্যের সাক্ষী মা, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায় zoom
Advertisement

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: দশমীর রাতে বীভৎস ছবি বাঁকুড়ায়। বন্ধ দরজার ফাঁক দিয়ে চুঁইয়ে চুঁইয়ে বের হচ্ছে রক্ত। দরজা খুলতেই ছেলের গলা কাটা দেহ দেখলেন মা। বুধবার রাতের এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাঁকুড়ার সার্কাস ময়দান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবক এর আগেও একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

মৃতের নাম ইমনকল্যাণ মণ্ডল। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ২০১৯ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে নবম হয়েছিলেন তিনি। এর পর বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করে ডাক্তারি পড়ছিলেন। বছর কয়েক আগে তাঁর বাবা মঙ্গলময় মণ্ডলের মৃত্য়ু হয়। এর পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ইমন। পেশায় স্কুল শিক্ষিকা মা বুনু মণ্ডলের সঙ্গে মাঝেমধ্যেই চূড়ান্ত দুর্ব্যবহার করতেন। ঘরে নিজেকে বন্ধ করে রাখতেন। হাতের শিরা কেটে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। রেজিস্ট্রি করে সেঁজুতি মণ্ডলকে বিয়েও করেছিলেন ইমন। তবে আলাদা থাকতেন তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বন্ধ ঘরে পড়ে বাঁকুড়ার আয়কর পরামর্শদাতার দেহ, মৃত্যুর কারণ ঘিরে রহস্য]

দশমীর বিকেলে আচমকাই ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন ইমন। অশান্তির ভয়ে ছেলেকে ডাকেননি মা। কিন্তু রাতে দরজার নিচ থেকে রক্ত গড়াতে দেখেন। তখনই পাড়ার ছেলেদের ডেকে আনেন। তাঁরা দরজা ভেঙে ইমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

[আরও পড়ুন: বিসর্জনকে কেন্দ্র করে তুমুল অশান্তি, প্রাক্তন কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা, রণক্ষেত্র কান্দি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.