৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: বেশ কিছুদিন পর আবার খবরের শিরোনামে ঠাকুরবাড়ি। বুধবার ছিল প্রমথ রঞ্জন ওরফে পিআর ঠাকুরের ১১৭তম জন্মতিথি। সেই উপলক্ষ্যে এদিন ঠাকুরবাড়িতে আসেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা তথা বর্তমানে মেঘালয় রাজ্যের রাজ্যপাল তথাগত রায়। রাজ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক হানাহানি বিশেষ করে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তথাগতবাবু এদিন ঘুরিয়ে পরোক্ষে এই পরিস্থিতির জন্য রাজ্যের শাসকদলকেই কাঠগড়ায় তুলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই হানাহানি মোটেও কাম্য নয় বলে জানালেন। পাশাপাশি, এনআরসি ইস্যুতে মতুয়া ধর্মের মানুষের মন জয়ে শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্যকেই পূর্ণ সমর্থন করেন তিনি।

এদিন বিজেপির নব নির্বাচিত সাংসদ সদস্য তথা ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুর তাঁর বক্তব্যে ফের এক বার নাগরিকত্ব ইস্যুতে সংসদে বিল পাশ ও মতুয়া সমাজের উন্নয়ন প্রকল্পে সারা ভারত মতুয়া মহাসংঘ সেল খোলার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। মতুয়াদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়ে বলতে গিয়ে এদিন শান্তনু ঠাকুর দ্বিজাতি তত্বে দেশভাগের প্রসঙ্গ এবং স্বাধীনতার আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মতুয়া সমাজ রাজনৈতিক চক্রান্তের স্বীকার বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ঠাকুরনগরের মাটি ভারতবর্ষের প্রথম উদ্বাস্তু কলোনি। পুরোনো ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, এদেশে মতুয়া তথা উদ্ধাস্তু আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন পিআর ঠাকুর ও বড়মা। এমনকি উদ্ধাস্তু আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ১৯৯৮ সালে বড়মার নেতৃত্বে কলকাতার মেট্রো চ্যানেল জমায়েত অনুষ্ঠানে তথাগত বাবুর উপস্থিতির কথা তুলে ধরেন। নাগরিকত্ব নিয়ে এনআরসির কথা উল্লেখ করে অনুপ্রবেশকারিদের বিতাড়ণ করে ওপার বাংলা থেকে আসা উদ্বাস্তুদের পাকাপাকি নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

এদিন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ কৌশলে এড়িয়ে তথাগতবাবু শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্যকেই পূর্ণ সমর্থন করেন। পাশাপাশি এদিন তিনি ঠাকুর হরিচাঁদ গুরুচাঁদ মন্দিরে পূজার্চনা করে পিআর ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ঠাকুরবাড়িতে কয়েকশো মতুয়া ভক্তের সমাগম হয়|

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং