২৯ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আষাঢ়-শ্রাবণে বৃষ্টির যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, ভাদ্রমাস পড়ে গেলেও তা এখনও পূরণ হয়নি৷ এই পরিস্থিতি আশার কথা শোনাল হাওয়া অফিস৷ সূত্রের খবর, ঘূর্ণাবর্তের ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে গভীর নিম্নচাপ৷ এবং এর জেরেই রবিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হতে পারে মাঝারি থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত৷ পাশাপাশি, সীমান্তবর্তী এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি৷ তবে বৃষ্টিপাতের তেমন একটা সম্ভাবনা নেই উত্তরবঙ্গে৷

[ আরও পড়ুন: সিগন্যাল ভেঙে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কা, জাতীয় সড়কে মৃত্যু কর্তব্যরত সাব ইনস্পেক্টরের]

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ওড়িশা উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে এই নিম্নচাপ অক্ষরেখা৷ বুধবারের মধ্যে এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে বঙ্গের দিকে এগিয়ে আসতে পারে এবং তা ভারী বৃষ্টিপাতের রূপ নিতে পারে৷ ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, দুই মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে৷ যার জেরে সাময়িক স্বস্তি পাবেন দক্ষিণবঙ্গবাসী, তেমনটাই মত আবহাওয়া দপ্তরের।

[ আরও পড়ুন: মাঝরাতে বাইকে চড়ে দুষ্কৃতীদের হানা, গুলিতে খুন আসানসোলের তৃণমূল কাউন্সিলর ]

হাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে উত্তরের আলিপুরদুয়ারে যেখানে বৃষ্টির পরিমাণ ১,৫২৯.৮ মিমি। সেখানে দক্ষিণবঙ্গ পেয়েছে মাত্র ১৭৪.৯ মিমি। কলকাতার হাল আরও করুণ। জুলাইয়ে এই শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৫৯.৯ মিমি৷ এমন বৈপরীত্য কেন? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্ষা সক্রিয় থাকার জন্য নিয়মিত নিম্নচাপ প্রয়োজন। জুন-জুলাই মিলিয়ে বঙ্গোপসাগরে ও লাগোয়া পূর্ব ভারতে ৬টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সেগুলির সামর্থ্য বা অবস্থান, কোনওটাই দক্ষিণবঙ্গের জন্য অনুকূল হয়নি। মৌসুমি অক্ষরেখাও দীর্ঘ সময় হিমালয়ের পাদদেশে ঘাঁটি গেড়েছিল। যদিও আসন্ন নিম্নচাপে দক্ষিণবঙ্গের জন্য সুখবর বয়ে আনবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তাতে এ রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি মিটবে কি না, তা অবশ্য এখনই বলতে পারছে না আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং