Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Arjun Singh

‘আটকে আছি, আমাদের ফেরান’, সৌদি থেকে অর্জুন সিংকে কাতর আর্জি পরিযায়ী শ্রমিকের

আটমাস ধরে সৌদি আরবে আটকে হালিশহরের প্রায় ৫০ জন। বেতন মিলছে না বলেও অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৫, ২০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৫, ২০:৪৭

options
link
‘আটকে আছি, আমাদের ফেরান’, সৌদি থেকে অর্জুন সিংকে কাতর আর্জি পরিযায়ী শ্রমিকের zoom

অর্ণব দাস, বারাকপুর: কাজের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর এলাকার কয়েকজন শ্রমিক। কিন্তু সেখানে গিয়েই আটকে পড়েছেন কয়েকমাস ধরে। মিলছে না বেতন, বাড়িও ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। প্রবল কষ্টে আর দিন কাটাতে পারছেন না তাঁরা। শেষপর্যন্ত থাকতে না পেরে ভিডিও বার্তায় বারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের কাছে বাড়ি ফেরানোর সহযোগিতা চাইলেন হালিশহর থানার হাজিনগরের বাসিন্দা রবি প্রতাপ সিং। সৌদি থেকে ভিডিও বার্তায় তিনি বললেন, “সৌদিতে বিগত আটমাস ধরে আমরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ৫০-৬০জন আটকে রয়েছি। বারাকপুরে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের কাছে অনুরোধ, আমাদের ফেরানোর ব্যবস্থা করুন।”

এই ভিডিও বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই বৃহস্পতিবার রবির পরিবারের তরফেও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাঁর বাবা অভিমন্যু সিং সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, “দু’বছর হল ছেলে সৌদিতে কাজে গিয়েছে। প্রথম বছর সব ঠিকঠাকই ছিল। বিগত আটমাস ধরেই এই সমস্যা হচ্ছে বলে ফোনে ছেলের কাছ থেকে জেনেছি। অর্জুন সিংয়ের কাছে গিয়েছিলাম সাহায্য চাইতে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।”

Advertisement

রবির স্ত্রী জুঁই সিংয়ের কথায়, “আট মাস ধরে ওদের বেতন দিচ্ছে না। ঠিকমত খেতেও দিচ্ছে না, বাড়িতেও ফিরতে দিচ্ছে না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ স্বামীকে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা হোক।” এই প্রসঙ্গে অর্জুন সিং জানান, ”আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আমি আমার মতো করে চেষ্টা করছি, কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি তাঁদের ফেরানো যাবে বলে আশা করছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.