Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

মুম্বইয়ের রেললাইনে উদ্ধার সন্দেশখালির পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ, বাংলায় কথা বলার জের?

ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১৪:৫২

options
link
মুম্বইয়ের রেললাইনে উদ্ধার সন্দেশখালির পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ, বাংলায় কথা বলার জের? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু। মুম্বইয়ের রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হয় মোস্তাফা মিস্ত্রির দেহ। শরীরে একাধিক ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে বলে দাবি। পরিবারের অভিযোগ, কেউ বা কারা তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে। শুধু তাই নয়, বাংলায় কথা বলার জন্যেই এই ঘটনা বলেও দাবি পরিবারের। আজ, মঙ্গলবার সন্দেশখালির বাড়িতে পৌঁছয় ওই শ্রমিকের কফিনবন্দি দেহ। ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। ঘটনার খবর পৌঁছতেই এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। ছুটে গিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও।

বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার দুর্গামণ্ডপ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বছর ১৮-র মোস্তাফা মিস্ত্রি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ছয়মাস আগেই মুম্বইতে কাজে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গত ১০ দিন ধরে মোস্তাফার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায়-উদ্বেগে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এর মধ্যেই ছেলের মৃত্যুর খবর আসে পরিবারের কাছে। পরিবারের দাবি, তাঁরা জানতে পারেন মুম্বইয়ের রেললাইনের পাশ থেকে মোস্তাফা মিস্ত্রিকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরিবারের দাবি, বাংলায় কথা বলার জন্যেই খুন করা হয়েছে মোস্তাফাকে। ঘটনায় অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।

Advertisement

ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। সন্দেশখালি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ‍্যক্ষ দিলীপ মল্লিক জানিয়েছেন, ”এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক। আমরা ওই পরিবারে পাশে সব সময় থাকার চেষ্টা করব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.