Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

নাবালিকার বিয়ের আয়োজন, প্রশাসনের কানে যেতেই পিছু হটল পাত্রপক্ষ

প্রয়োজনে দুবছর অপেক্ষা করতে রাজি পাত্রপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০১৮, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০১৮, ২০:১৭

options
link
নাবালিকার বিয়ের আয়োজন, প্রশাসনের কানে যেতেই পিছু হটল পাত্রপক্ষ zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: দশম শ্রেণির ছাত্রী নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের লগ্ন চলাকালীন পাত্রের বাড়ি থেকে খবর যায় প্রশাসন থেকে পাত্রের বাড়িতে নিষেধাজ্ঞা পাঠানো হয়েছে এই বিয়ে নিয়ে। পাত্র আর বিয়ে করতে যাননি। অগত্যা নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়েই পাত্রের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন পরিবারের লোকজন। যাতে দুজনের বিয়েটা নির্বিঘ্নে দিয়ে দেওয়া যায়। তবে শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেল পরিকল্পনা। প্রশাসনের তৎপরতায় রুখে দেওয়া হল এই বিয়ে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলকোটের রাধানগর গ্রামে। দুপুর থেকেই ওই গ্রামের ঘোষ পরিবারে চলছিল বিয়ের তোড়জোড়। আত্মীয় পরিজনরা ভিড় করেছিলেন। জমজমাট ছিল বিয়েবাড়ি। কিন্তু সন্ধ্যার মুখেই বদলে গেল পরিবেশ। বিয়েবাড়িতে বিষাদের সুর।

[খবরের ফেরিওয়ালা, সংসারের ছাতা হয়ে একাই ছুটে চলেন ফুলেশ্বরী]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের গতিষ্ঠা পঞ্চায়েতের রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা জীবন ঘোষের ছেলে জয়ন্ত ঘোষের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল কাটোয়ার খাজুরডিহির বাসিন্দা ১৬ বছরের ওই নাবালিকার সঙ্গে। মেয়েটি খাজুরডিহি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। জানা গিয়েছে, তাদের মঙ্গলবার বিয়ের দিন ছিল। কাটোয়া চাইল্ডলাইনের কর্মী অরুপ সাহা জানিয়েছেন, স্থানীয় এলাকা থেকে খবর আসার পর পাত্রের বাড়িতে জানানো হয়েছিল এই বিয়ে বেআইনি। তাদের নিষেধ করা হয়েছিল যেন ওই নাবালিকাকে বিয়ে করতে না যান। জানা গিয়েছে, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের মাধ্যমে খবর পাঠানোর পর জয়ন্ত ঘোষ আর বিয়ে করতে যাননি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিয়ে বন্ধ হয়ে গেলেও বুধবার খাজুরডিহি থেকে ওই নাবালিকাকে সঙ্গে করে তার পরিবারের লোকজন চলে আসেন রাধানগর গ্রামে। সেখানেই বিয়ে দেওয়ার কথা হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ফুল বেচে সংসার চালানো, অভাব হারিয়ে সাফল্যের ফুল ফোটাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা

পাত্রের বাবা জীবনবাবু বলেন, ‘মেয়ের বাড়ির লোকজন কান্নাকাটি করে বলেন, লগ্নভ্রষ্টা মেয়ের ভবিষ্যতে বিয়ে দিতে সমস্যা হবে। তাই যেন বিয়েটা দিয়ে দেওয়া হয়। ওদের অনুরোধে বুধবার বিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের কথামতো বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।‘ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ফের জীবনবাবুদের বাড়িতে যায় চাইল্ডলাইনের প্রতিনিধি ও পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা। তাঁরা বিয়ে বন্ধ করতে রাজি করান। জীবনবাবু মুচলেকা দিয়ে জানিয়ে দেন, নাবালিকার সঙ্গে তার ছেলের বিয়ে দেবেন না। তবে জীবনবাবু এদিন বলেন, ‘প্রয়োজনে দু’বছর অপেক্ষা করব। তবু ওই মেয়ের সঙ্গেই আমার ছেলের বিয়ে দেব।‘

[সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে মধুচক্রের আসর, চাঞ্চল্য উত্তরপাড়ায়]

 

ছবি- জয়ন্ত দাস

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.