Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Rampurhat

কাজের নামে ঘুষ! রামপুরহাটের মহকুমা শাসকের ঘরে ঢুকে ধমক দিলেন বিধায়ক ধ্রুব সাহা

তারাপীঠ এলাকার দুই হোটেল ব্যবসায়ী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতির বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, 'বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা দাবি করা হয়েছে।'

Advertisement
বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২১:১৮

link
বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২১:১৮

options
link
কাজের নামে ঘুষ! রামপুরহাটের মহকুমা শাসকের ঘরে ঢুকে ধমক দিলেন বিধায়ক ধ্রুব সাহা zoom
মহকুমা শাসকের ঘরে ঢুকে ধমক বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহার।

প্রশাসনিক কাজের নামে দীর্ঘদিনের হয়রানি। শুধু তাই নয়, কাজ করিয়ে দেওয়ার নামে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঘুষ নেওয়া হত! এই অভিযোগ কানে যেতেই রণংদেহি রামপুরহাটের বিজেপি ধ্রুব সাহা। রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে ঢুকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যাপক ধমক দেন তিনি। পরবর্তীতে এমন অভিযোগ এলে জেলে পাঠানোর হুমকিও দেন বিজেপি বিধায়ক।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, “বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা দাবি করা হয়েছে।”

জানা গিয়েছে, এদিন রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে যান বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সেই সময় তারাপীঠ এলাকার দুই হোটেল ব্যবসায়ী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতির বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, “বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা দাবি করা হয়েছে।” এই অভিযোগ সামনে আসতেই রেগে আগুন বিজেপি বিধায়ক।

Advertisement

বিধায়ক ধ্রুব সাহার অভিযোগ, “সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে হয়রানি করছেন। পাশাপাশি এলাকার একাধিক পাথর খাদান মালিকের কাছ থেকেও ঘুষ নেন তিনি।”

দলবল নিয়ে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতির দপ্তরে যান বিধায়ক ধ্রুব সাহা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি আধিকারিকের দিকে আঙুল তুলে ধমক দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর প্রশ্নের মুখে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে লাভ হয়নি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা রামপুরহাটের মহকুমা দপ্তরে। বিধায়ক ধ্রুব সাহার অভিযোগ, “সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে হয়রানি করছেন। পাশাপাশি এলাকার একাধিক পাথর খাদান মালিকের কাছ থেকেও ঘুষ নেন তিনি।” যদিও ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় বিধায়ক তাকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করেন।

ঘটনায় রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়েন মহকুমা দপ্তরের কর্মীরা। কিছুক্ষণের জন্য প্রশাসনিক কাজকর্মেও প্রভাব পড়ে বলে জানা গিয়েছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বলেন, “এই আধিকারিকের বিরুদ্ধে আগেও বহু মানুষের অভিযোগ এসেছে। আজও সাধারণ মানুষ অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে এসেছেন। মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে বিধায়ক নির্বাচিত করেছেন। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রশাসনের দুর্নীতি ও অসহযোগিতার বিরুদ্ধে কথা বলা আমার দায়িত্ব। মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করতে এই ধরনের আধিকারিকদের শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.