সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ফের পুজোর মরশুমে চুরির ঘটনা ঘটল দুর্গাপুরে। ষষ্ঠীর রাতেই ইসিএলের আবাসনে বন্ধ দরজা ভেঙে লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী হাতিয়ে পালাল চোর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পাণ্ডবেশ্বরের কুমারডিহি বি কোলিয়ারির কর্মী আবাসনে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত ইসিএলের কর্মীরা। রাতের শিফট থাকলেই তাঁরা এখন আতঙ্কে ভুগছেন। বাড়ি ফিরলে হয়তো দেখবেন দরজা ভাঙা। মোটামুটি বাড়ি সাফ করে দিয়েছে চোর।
জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চুরি হয়েছে ইসিএল কর্মী করিম মিঞা ও বিকাশ সিংয়ের বাড়িতে। তাঁর দুজনেই রাতের শিফটে কাজ করছিলেন। বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা পুজোর ছুটিতে অন্যত্র বেড়াতে গিয়েছেন। তাই বাড়িতে তালা মেরেই তাঁরা কর্মক্ষেত্রে এসেছিলেন। মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে ফিরেই দেখেন ঘরের তালা ভাঙা। আসবাবপত্র ছ্ত্রখান হয়ে পড়ে আছে। বিকাশবাবুর বাড়ি থেকে চোরের দল আলামারি ভেঙে নগদ ১০ হাজার টাকা-সহ গয়নাগাটি ও দামি মোবাইল ফোন নিয়েছে। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার জিনিস খোয়া গিয়েছে। একইভাবে করিম মিঞার বাড়ি থেকেও মোবাইল ফোন ও হাজার চারেক নগদ টাকা উধাও হয়েছে। বিকাশবাবুর বাড়িতে বড়সড় দাঁও মারার পর প্রতিবেশী করিম মিঞার বাড়িতেও ভাল মালকড়ির আশা করেছিল চোর বাবাজি। তবে নিরাশ হয়ে সারাঘর লন্ডভন্ড করে দিয়েছে।
[বিশেষ কার্ভিক্যাল কলার উদ্ভাবন করে চমক, খুদে বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি বর্ধমানের ছাত্রীর]
এদিকে এক মাসের মধ্যে ফের বন্ধ ঘরে চুরির ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসী। ওই দুই কর্মীও আতঙ্কিত। এলাকায় পুলিশি প্রহরা বলে যে কিছুই নেই এই ঘটনাই তার প্রমাণ করে। রাতের দিকে কর্মী আবাসন চত্বরে টহলদার ভ্যান সক্রিয় থাকলে চোরদের অবস্থান জানা অনেক সহজ হত। চুরিই হত না। গোটা ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাসিন্দারা।